নামী স্কুলের শিক্ষকের মারে গুরুতর অসুস্থ ছাত্র! বর্ধমান সদর থানায় অভিযোগ
বর্ধমান শহরের নামী স্কুলের শিক্ষকের মারে গুরুতর অসুস্থ ১২ বছরের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্র। পরিবারের অভিযোগ দায়ের বর্ধমান সদর থানায়। গায়ে লাল চাকা দাগ। কোথাও কালশিটে।
স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ১২বছরের ছাত্রটি সম্ভবত ভাবতেও পারেনি তার শরীরে আছড়ে পড়বে শিক্ষকের মারে স্টিলে স্কেলের মার। শুক্রবার রাতে লিখিত অভিযোগ করে ছাত্রের পরিবারের লোক। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে শহরে।

মারধরে পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে ছাত্রটি। পরিবারের লোকজন স্কুল থেকে ছাত্রকে নিয়ে যান বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে ওই ছাত্রর চিকিৎসা করানো হয়। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেছে,ওই ছাত্রের অভিভাবক ও অভিযুক্ত শিক্ষককে নিয়ে কথা বলবেন তাঁরা। তার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে জানানো হয়েছে স্কুলের তরফে।
শহরে নামী স্কুলগুলোর মধ্যে অন্যতম বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল। ওই ছাত্রের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলে টিফিনের সময়ে ঘটনাটি ঘটে। জল খাওয়ার জায়গায় কোনও এক ছাত্র চিৎকার করে ওঠে। তখন সেখানেই ছিলেন ইংরেজির শিক্ষক রঞ্জিত মুর্মু। তাঁর ধারণা হয় ওই ছাত্রটিই চিৎকার করেছে। এর পরেই তিনি ওই ছাত্রকে টেনে নিয়ে গিয়ে চুলের মুটি ধরে তাকে স্কেল দিয়ে মারতে শুরু করে বলে অভিযোগ।
সহপাঠীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ওই ছাত্রের দিদি স্কুলে গিয়ে ভাইকে নিয়ে যান বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে যায় ছাত্রটির পরিজনরা। কিন্তু হাসপাতালে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বা অভিযুক্ত শিক্ষক কারও দেখা পাননি তাঁরা। ফোনেই তাঁরা কথা বলেন প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে।
প্রহৃত ছাত্রটির দাদা বলেন, ভাই কল থেকে জল আনতে গিয়েছিল। হঠাৎ পাশ থেকে একজন কেউ চিৎকার করে ওঠে। আর তারপরেই ওই শিক্ষক মনে করেছেন ওই ছাত্র চিৎকার করেছে। তাকে চুলের মুঠি ধরে স্কেল দিয়ে মারতে থাকে। আর এরপরেই ছাত্রটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরিবারের লোকজন ছাত্রটিকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় তড়িঘড়ি।












Click it and Unblock the Notifications