সাপের কামড়ে বিষ থাকে না! বর্ধমানের কোথায় হয় ঝংকেশ্বরীর পুজো?

ঝংকেশ্বরী পুজো আজ সোমবার। সাপ নিজেই মন্দিরে পুজো নিতে আসে। তেমনই লোকমুখে প্রচলিত৷ এই পুজো উপলক্ষ্যে গ্রামের মহিলারাও উৎসাহিত৷ দিনভর ব্যস্ততা চোখে পড়ে সেখানে।

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পলসোনা গ্রাম৷ সেখানেই ঝংকেশ্বরী পুজো হয় আজ। সাপের আর একটি নাম ঝংকেশ্বরী। এই পুজো ঘিরে অনেক চর্চা রয়েছে আশপাশে। মা ঝংকেশ্বরী নিজেই মন্দিরে পুজো নিতে আসেন। আশপাশের এলাকায় ঘুরে বেড়ান৷ এই কথা চর্চা হয়।

katowa

সাপ রূপে ঝংকেশ্বরী হাজির হন পুজো নিতে মন্দিরে। সেই ঘটনা দেখতে সাধারণ মানুষের ভিড় হয়ে যায়। সেই সময়ের জন্য সাধারণ মানুষ অপেক্ষা করেন প্রতি বছর। এই কথাও জানা গিয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের তিনটি গ্রাম ও ভাতারের একটি গ্রামে মা ঝংকেশ্বরী পুজো হয়। মঙ্গলকোটের মুশারু, পলসোনা ও ছোট পোসলা, এই তিনটি গ্রাম। ভাতারের বড় পোসলা গ্রামে পুজো হয়। ঝংকেশ্বরীর বড় মন্দিরও তৈরি হয়েছে গ্রামে।

সারা বছরই ঝংকেশ্বরীর দেখা মেলে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে। গুরু পূর্ণিমার পরের দিন ঝংকেশ্বরী পুজো অনুষ্ঠিত হয় এই চারটি গ্রামে। পুজোর দিন অর্থাৎ আজ ঝংকেশ্বরী দেখা মেলে মন্দিরে। ঝংকেশ্বরী প্রতি বছরই মন্দিরে পুজো নিয়ে যান। এ এক অলৌকিক ঘটনা হলেও সত্য।

মঙ্গলকোটের এই তিনটি গ্রাম ও ভাতারের একটি গ্রামে এলেই দেখা যায়। সারা বছরই গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে এই ঝংকেশ্বরী মায়ের অবস্থান মানুষের সঙ্গেই। আর এখানেই জড়িয়ে আছে আরও একটি ঘটনা। কারণ, এই সব এলাকায় কাউকে সাপে কামড়ায় না। সাপ কামড়ালেও কোনও ক্ষতি হয় না। সাপের কামড়ে মানুষ মারা গিয়েছে। এমন ঘটনা ওই চারটি গ্রামে শোনা যায় না।

সাপের কামড়ে বিষ থাকে না। এমনই জানিয়েছেন, গ্রামের মানুষজন। এই সব গ্রামে অতীতেও সাপের কামড়ে কেউ মারা যাননি। দাবি গ্রামবাসীদের। সব মিলিয়ে চিরাচরিত প্রথা মেনে পালিত হল মা ঝংকেশ্বরীর পূজা।
কেউটে প্রজাতির সাপের এই পুজোকে ঘিরে এলাকার মানুষের উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+