Flood Situation: বিপদসীমার উপরে বইছে অজয় নদ, ভাঙল ফেরিঘাট! বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা
West Bengal Flood Situation: গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন দক্ষিণ বাংলাদেশের উপর সৃষ্ট ঘূর্ণাবর্তের জের। গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হয়।
আর এর মধ্যেই ডিভিসি সহ একাধিক জলাধার থেকে জল ছাড়া হচ্ছে। যার ফলে বাংলার বহু জেলা ভাসতে (West Bengal Flood Situation) পারে বলে আশঙ্কা।

অন্যদিকে একনাগাড়ে বৃষ্টির ফলে বীরভূমের বহু এলাকা জলমগ্ন (West Bengal Flood Situation) । একটানা বৃষ্টিতেই বীরভূমের ইলামবাজার ব্লকের জয়দেব-কেন্দুলী সংলগ্ন অজয় নদের ফেরিঘাট রবিবার বিকেলে ভেঙে গিয়েছে। ফলে বীরভূমের সঙ্গে পশ্চিম বর্ধমানের যোগাযোগ একেবারে বিচ্ছিন্ন।
সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ। কীভাবে এখন পারাপার সম্ভব? ইতিমধ্যে যদিও প্রশাসনের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বীরভূমের কয়েক হাজার মানুষ রুটি রুজির তাগিদে দৈনন্দিন এই ফেরিঘাট হয়েই পারাপার করেন। পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর শিল্পনগরীতে কাজে যান বহু মানুষ।
এই অবস্থায় ফেরিঘাট ভেঙে যাওয়ার জন্য এই মুহূর্তে প্রশাসন কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারেনি। জয়দেব কেন্দুলি ফেরিঘাটের উপর দিয়ে বিপদসীমার ওপরে জল বয়ে যাচ্ছে। জয়দেব কেন্দুলী পুলিশ ফাঁটির প্রশাসনের তরফ থেকে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে যাতে করে কোন সাধারণ মানুষ যানবাহন নিয়ে বিপদে না পড়ে।
ফেরিঘাট ভেঙ্গে যাওয়াই এখন একমাত্র উপায় ইলামবাজার ব্রিজ অথবা পাণ্ডবেশ্বর একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমানের। তবে সুখের কথা এই অজয় নদের উপর স্থায়ী সেতুর প্রায় ৯০ শতাংশ নির্মাণ হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত দুই জেলার যোগাযোগের ক্ষেত্রে কজওয়ে একমাত্র ভরসা।
অন্যদিকে রবিবার নতুন করে জল ছাড়ায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরী হতে পারে বাঁকুড়ার বড়জোড়া ও সোনামুখী ব্লক এলাকার একাংশ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দামোদর তীরবর্ত্তী ওই এলাকার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশপাশি ২০ হাজার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications