TMC vs TMC: তৃণমূলের পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে নজিরবিহীন ঘটনা! মন্ত্রীর এলাকাতেই দলীয় হুইপ অগ্রাহ্য
TMC vs TMC: তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষস্তর থেকে বিভিন্ন পঞ্চায়েতে কে প্রধান ও উপ প্রধান হবেন তা ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। সেইমতো তালিকা পাঠানো হয়। খামবন্দি তালিকা প্রকাশ হতেই জানা যায় পঞ্চায়েত পরিচালনার ভার কাদের হাতে।
কিন্তু কালনার সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সাক্ষী থাকল নজিরবিহীন ঘটনার। খোদ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের বিধানসভা এলাকাতেই অগ্রাহ্য করা হলো পার্টি হুইপ।

বিধায়ক, ব্লক সভাপতিরা সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন পার্টির শীর্ষস্তরে। ঝাড়াই বাছাই করে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের পদাধিকারীদের নাম চূড়ান্ত করে তৃণমূল। যদিও পার্টি হুইপ অগ্রাহ্য করে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠিত হয়েছে সুলতানপুরে। কালনা ১ ব্লকের অন্তর্গত এই পঞ্চায়েতে জয়ী ২২ জনই তৃণমূলের।
পঞ্চায়েত ভবনের সভাকক্ষে গতকাল বোর্ড গঠনের সভা ডাকা হয়। জয়ী প্রার্থীদের উপস্থিতিতে দলীয় নির্দেশ অনুযায়ী জয়িতা আজমিকে প্রধান এবং প্রমিলা মুর্মুকে উপ প্রধান করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তারপর থেকেই সভাকক্ষ উত্তপ্ত হতে শুরু করে। অধিকাংশ জয়ী প্রার্থীই বলতে থাকেন ওই সব হুইপে কোনও কাজ হবে না।

দাবি ওঠে, প্রধান ও উপ প্রধান নির্বাচিত করতে হবে ভোটদানের মাধ্যমে। দলের তরফে যে জয়িতা আজমিকে প্রধান করার নির্দেশ এসেছিল তাঁকে উদ্দেশ করে শুরু হয় বক্রোক্তি। একটা সময় চরম ক্ষুব্ধ হয়ে জয়িতা-সহ ৩ জন জয়ী প্রার্থী সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। পড়ে থাকেন ১৯ জন।
সেই ১৯ জনই সর্বসম্মত হয়ে প্রধান ও উপ উপপ্রধান ঠিক করেন। প্রমিলা মুর্মুর হওয়ার কথা ছিল উপ প্রধান। তিনি হয়ে যান প্রধান। উপ প্রধান হন মালবিকা পান। এ ব্যাপারে সুলতানপুর অঞ্চলের তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি রেফাতুল্লা মোল্লা জানান, ঘটনাটি দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। এরপর দল যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে।
এলাকার তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তৃণমূলের মনোনীত প্রধান পদের প্রার্থী জয়িতা আজমি, আমি আর কী বলবো? যাঁরা দলের হুইপ মানলেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে দল কী করে সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছি।












Click it and Unblock the Notifications