দুর্গাপুরের একাধিক টিউবওয়েলে বিষ দেওয়া হয়েছে? মারাত্মক অভিযোগ, ভীত স্থানীয়রা
টিউবওয়েলের ভিতর বিষ ঢেলে দেওয়া হল? তাও আবার অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের টিউবওয়েলে? মারাত্মক অভিযোগ উঠল দুর্গাপুরের কাঁকসার গোপালপুর গ্রামে। আরও বেশ কয়েকটি বাড়ির টিউবয়েলেরও একই অবস্থা। এই নিয়ে শনিবার সকাল থেকেই তোলপাড় এলাকা।
তড়িঘরি টিউবয়েল বন্ধ করে দিল পঞ্চায়েত। জমিতে ধানের পোকা মারার তরল বিষ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনই অভিযোগ গ্রামবাসীদের। ওই জলের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। বিষ জল আতঙ্ক এখন তাড়া করছে দুর্গাপুরের গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দাদের।

মারাত্মক অভিযোগ, দুর্গাপুরের কাঁকসার গোপালপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার একটি অঙ্গনওয়ারি স্কুলে। স্কুলের টিউবয়েল থেকে আচমকা ফ্যানা যুক্ত জল বেরোতে দেখা যায়। সঙ্গে বেরোতে থাকে তীব্র দুর্গন্ধ। স্থানীয়দের অভিযোগ, জমিতে ধানের পোকা মারার বিষাক্ত তেল কেউ বা কারা মিশিয়ে দিয়েছে এই জলে।
অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের শিশু, গর্ভবতি ও প্রসূতি মহিলাদের রান্নাবান্নার জন্য এই জল ব্যবহার হয়। গতকাল শুক্রবার স্কুল ছুটির পর এক মহিলা প্রথম ফ্যানা লক্ষ্য করেন জলের মধ্যে।
তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ পান এই জল থেকে। তিনি ওই টিউবয়েল থেকে জল নিতে গিয়েছিলেন।
কালবিলম্ব না করে পঞ্চায়েতকে জানানো হয়। গ্রামের আরও তিনটি টিউবয়েলে একই ঘটনার দেখতে পাওয়া যায়। পুলিশকেও জানানো হয় বিষয়টি। খবর পেয়ে গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ও স্থানীয় প্রশাসনের ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে যান। কাঁকসা থানার পুলিশ ওই সব টিউবয়েল সিল করে দেয়।
গোটা ঘটনায় আতঙ্কের আবহ কাঁকসার গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তরপল্লী সহ আশপাশ এলাকায়। ইতিমধ্যে পঞ্চায়েতের তরফে জলের স্যাম্পেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই টিউবয়েলগুলি স্থানীয়দের কাছে পানীয় জলের একমাত্র উৎস। ফলে পানীয় জলের সংকট দেখা গিয়েছে।
বেশ কয়েকটি বাড়িতেও একই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। যদি এই জল মানুষজন খেত, তাহলে কত বড় ক্ষতি হত। সেই ভয়েই কাঁটা অনেকে। এমন ঘৃণ্য কাজ কে বা কারা করল? সেই প্রশ্ন উঠছে। কাঁকসা থানার পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications