ভাইপোকে বাঁচাতে দিল্লি যাচ্ছেন পিসি, ইনসাফ যাত্রায় তৃণমূল-বিজেপিকে আক্রমণ মিনাক্ষীর
মিছিল এগিয়ে চলেছে পায়ে পায়ে। উত্তরবঙ্গের জেলা ঘুরে দক্ষিণবঙ্গে ঢুকেছে মিছিল। ইনসাফ যাত্রা এবার দুর্গাপুরে। সেই মিছিল থেকেই ফের বাংলার শাসক দলকে নিশানা করলেন মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারীকে খোঁচা দিয়েছেন বাম নেত্রী।
আজ সোমবার ইনসাফ যাত্রা দুর্গাপুরে রয়েছে। ২৫ তম দিনে পা দিল ইনসাফ যাত্রা। শহিদ সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূর্তীতে মালা দিয়ে শুরু হয় মিছিল। আজ ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে দুর্গাপুরে। মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ছাড়াও মিছিলে হাঁটেন অভিনেতা দেবদূত ঘোষ।

মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, পিসি এখন দিল্লি যাচ্ছেন ভাইপোকে বাঁচাতে। আর তারা আছেন পথে রাজ্য আর দেশকে বাঁচাতে। কার্যত বেশ হাসি মুখেই জবাব দিয়েছেন সিপিএমের যুব নেত্রী। শুভেন্দু অধিকারীকেও খোঁচা দিতে ভোলেননি তিনি।
মিনাক্ষী বলেন, ২০ বছর একসঙ্গে ঘর করছে৷ চোরে চোরে কী করছে বা করবে তা তিনি জানেন না! ইনসাফ যাত্রার প্রথম থেকেই শিল্প সম্পর্কে মতামত দিচ্ছে সিপিএম। তার কথায়, দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কারখানা। কর্মসংস্থান নেই। তাই মানুষ বাধ্য হয়েই পথে নেমেছে। ইনসাফ যাত্রায় যোগ দিচ্ছেন।
উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি ঘুরে বামেদের এঅ মিছিল আসবে কলকাতায়। বিগ্রেডে সমাবেশ করার কথা রয়েছে। মূলত লোকসভক ভোটের আগে এটিই একটি বড় সমাবেশ হবে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আর জনসংযোগের জন্যই এই ইনসাফ যাত্রার আয়োজন।
বাংলার শাসক দলের দুর্নীতি, চাকরি বিক্রি, কর্মসংস্থান প্রভৃতি একাধিক বিষয়কে সামনে রাখা হয়েছে। মিছিল থেকে প্রচার হচ্ছে এইসব ইস্যুতে। প্রচারের হাতিয়ার করা হয়েছে। রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করছেন মিনাক্ষী ও সিপিএম নেতারা। তবে মিনাক্ষীর বক্তব্যের পালটা দিয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যে উন্নয়নে আমজনতার স্বার্থে কাজ করছে রাজ্য সরকার। তা দেখার জন্য মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে কিছু করতে হবে না। ওই মিছিলে হাঁটা সিপিএম কর্মীদের জিজ্ঞাসা করুন কার বাড়িতে কতজন স্বাস্থ্যসাথীতে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ হয়ে এসেছেন। কৃষক বন্ধুর টাকা পেয়ে কারা চাষ শুরু করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, যে সব স্কুলছাত্রী হাঁটছেন, তাদের জিজ্ঞাসা করুন কতজন কন্যাশ্রী পেয়েছেন। তাহলেই ওনার বাচালতা বন্ধ হয়ে যাবে। সিপিএম এত প্রগতিশীল যে এসব প্রকল্প ৩৪ বছরে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। নিজেদের ভাইপো, ভাগ্নি আর মেয়েকে চাকরি দেওয়ার ভাবনা ছাড়া।












Click it and Unblock the Notifications