তৃণমূলের কোলের ছেলে জেলা সভাপতি! অমিত শাহের উদ্দেশে পোস্টার নিয়ে শোরগোল বিজেপির অন্দরমহলে
তৃণমূলের কোলের ছেলে জেলা সভাপতি! অমিত শাহের উদ্দেশে পোস্টার নিয়ে শোরগোল বিজেপির অন্দরমহলে
এবার বিজেপির ( bjp) পূর্ব বর্ধমান (east bardhaman) জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে পোস্টার দলেরই একাংশের। সেখানে জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীকে তৃণমূলের দালাল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও অমিত শাহের (amit shah) সফরের বিজেপির তরফে দাবি, এইসব পোস্টার দিয়েছে তৃণমূল। আর তৃণমূলের দাবি বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল।

বিজেপির জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ
বেশ কিছুদিন ধরেই পূর্ব বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠছে। তা নিয়েই এবার পোস্টার পড়েছে বর্ধমান শহরের কার্জন গেট এলাকায়। সেখানে লেখা সন্দীপ নন্দী তৃণমূলের দালাল। কোনও কোনও পোস্টারে লেখা তৃণমূলের কোলের ছেলে সন্দীপ নন্দী দূর হটো। এই নেতৃত্ব আর নয়, বলা হয়েছে পোস্টারে।

অমিত শাহের উদ্দেশেও পোস্টার
অমিত শাহের উদ্দেশেও পোস্টার দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, অমিতজি দেখে যান, পার্টির টাকায় লাল হয়ে গিয়েছেন সন্দীপ নন্দী। এইসব পোস্টার নিয়ে চাপানউতোর চলছে পূর্ব বর্ধমানে।

পোস্টারে উঠে এসেছে আরও অনেক নাম
পোস্টারে উঠে এসেছে আরও অনেক নাম। গ্যাস কেলেঙ্কারিতে বিদ্যুৎ মুখোপাধ্যায়, সুব্র চট্টোপাধ্যায়, অমলেন্দু চট্টোপাধ্যায় এবং দিলীপ ঘোষরা জড়িত। এলপিজির ডিস্ট্রিবিউটরশিপ দেওয়ার নাম করে বিপুল টাকা তোলাবাজি করা হয়েছে বলে পোস্টারে অভিযোগ করা হয়েছে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নেতাদের হঠানোর দাবি করা হয়েছে।

তৃণমূলের দিকে অভিযোগের তির
এই ঘটনায় জেলা বিজেপির তরফে তৃণমূলের দিকে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাদের দাবি বিজেপি কেউ এই পোস্টার মারতে পারেন না। তাদের আরও দাবি, পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলের অবস্থা খুবই খারাপ। সেই কারণেই মুখ তোলার চেষ্টা করছে ঘাসফুল শিবির।

অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের
জেলা তৃণমূলের তরফে দাবি, পূর্ব বর্ধমানে বিজেপির শক্তি নেই। সামান্য কয়েকজন কর্মী নিয়ে কাজেও প্রবল অশান্তি। গেরুয়া শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরেই এই ঘটনা বলে দাবি করা হয়েছে।

এর আগেও সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি
তবে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে এবারই প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি হয়নি। এর আগেও হয়েছে। যোগ্য নেতাকর্মীদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্য নেতৃত্বের তরফে বলা হয়েছিল, দলের একাংশের মধ্যে এই প্রবণতা বিপজ্জনক। এই ঘটনা বড় করে দেখা দিয়েছিল, খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হারার পরে। সেই সময় নামী অনামী অনেককেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করতে দেখা দিয়েছিল। অনুপম হাজরা বলেছিলেন, জেলাস্তরের কিছু নেতা জেগে ঘুমোন। তাঁদের ঘুম ভাঙানোর জন্য ফেসবুকের দেওয়ালে কড়া নাড়া ছাড়া কোনও উপায় থাকে না।












Click it and Unblock the Notifications