লক্ষ্য রাম মন্দির, পায়ে হেঁটে অযোধ্যার পথে রানিগঞ্জের রঞ্জিত সাউ
তাপমাত্রা নামছে হু হু করে। শীতের কামড় দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলায়। উত্তর ভারতেও তাপমাত্রা নামছে। এদিকে তিনি হেঁটে চলেছেন। লক্ষ্য অত্যন্ত সুদীর্ঘ। সংকল্প কঠিন। বয়স বছর ৫৫। লক্ষ্য অযোধ্যার রাম মন্দির। পায়ে হেঁটেই এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছেন তিনি৷
রানিগঞ্জের বাসিন্দা রঞ্জিত সাউ। তিনি পেশায় সবজি বিক্রেতা। ঠেলায় করে সবজি বিক্রি করেন। বেরিয়ে পড়েছেন বাড়ি থেকে। লক্ষ্য উত্তরপ্রদেশ। অযোধ্যায় রাম মন্দিরে যাবেন তিনি। আর যাবেন তিনি পায়ে হেঁটে। এই সুদীর্ঘ পথ পুরোটাই তিনি পায়ে হেঁটে যাবেন। এমনই সংকল্প করেছেন তিনি।

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেন তার কাছে প্রাণপুরুষ। ঈশ্বর রূপে নরেন্দ্র মোদী এসেছেন এই পৃথিবীতে। এমনই মনে করেন তিনি। আর সেই টানেই তিনি হেঁটে চলেছেন। নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তার দেখা হবে কী না জানা নেই। কিন্তু তিনি রাম মন্দির পৌঁছাবেনই।
ইতিমধ্যেই তিনি বেশ কিছুটা পথ পেরিয়ে গিয়েছেন। গায়ে গেরুয়া পোশাক। মাথায় গেরুয়া পাগড়ি। গলায় একাধিক মালা। একমুখ পাকা দাঁড়ি - গোঁফ। নিশান রয়েছে কাঁধের উপর৷ আর আছে ভারতের জাতীয় পতাকা। রঞ্জিত সাউ হেঁটে চলেছেন। আগামী বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি পথেই থাকবেন।
দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মঙ্গল কামনা করছেন তিনি। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মঙ্গল কামনা চেয়েও পায়ে হেঁটে অযোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। সোমবার সকালে তিনি দুই নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে যাচ্ছিলেন। কুলটি বিধানসভার অন্তর্গত চৌরাঙ্গি মোড়ের কাছে তাকে দেখতে পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, মোদীজি দেশের ও দেশবাসীর জন্যে যা করেছেন তা আর কেউ করেননি। বিশেষত গরিব মানুষদের কথা ভেবেই তিনি দেশ পরিচালনা করেন। তবে এর আগে তিনি দিদিকে সমর্থন করতেন। কিন্তু দিনে দিনে পশ্চিমবঙ্গ দুর্গতির দিকে এগিয়ে চলেছে।তিনি অযোধ্যা পৌঁছে ভগবান রামের কাছে নরেন্দ্র মোদীর মঙ্গল কামনা করবেন। একই সঙ্গে বাংলার মঙ্গল কামনা চেয়ে পুজো দেবেন।
শীতের দিনে জাতীয় সড়ক ধরেই হেঁটে চলেছেন এই ব্যক্তি। কবে তিনি অযোধ্যা পৌঁছাবেন। তাই এখন দেখার বিষয়।












Click it and Unblock the Notifications