Shaktigarh Langcha: ল্যাংচা নিয়ে শক্তিগড়ে তুলকালাম, FIR দায়ের করে নোটিস ব্যবসায়ীদের
শক্তিগড়ের ল্যাংচা নিয়ে তুলকালাম চলছে। হাজারা হাজার ল্যাংচা মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। সব নাকি ছত্রাকে ভরে গিয়েছিল। এবার ফুড সেফটি অফিসার এই নিয়ে এফআইআর দায়ের করলেন।
ইতিমধ্যেই শক্তিগড়ের ল্যাংচা ব্যবসায়ীদের নোটিস ধরানো হয়েছে এই নিয়ে। গত ২০ জুলাই শক্তিগড়ে ফুড সেফটি অফিসারেরকা অভিযান চালিয়েছিল শক্তিগড়ে। তারপরেই হাজার হাজার ল্যাংচা মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল সেই ঘটনা।

শনিবার রাতে সকলকে চমকে গিয়েই শক্তিগড়ে জাতীয় সড়কের ধারে তৈরি হওয়া একাধিক ল্যাংচার দোকানে অভিযান চালায় বর্ধমানের ফুড সেফটি বিভাগের অফিসাররা। বস্তা বস্তা ল্যাংচা মাটি খুঁডে পুঁতে দেওয়া হয়। তার জন্য রীতিমতো জেসিবি দিয়ে মাটি খোঁড়া হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই সব ভিডিও দেখে রীতিমতো চমকে গিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। যে ল্যাংচার জন্য শক্তিগড় এতো বিখ্যাত। যেখানে প্রতিদিন প্রায় হাজার খানের মানুষ মিষ্টি কিনে নিয়ে যান। সেখানে খাদ্যের মানের এই অবস্থা।
জানা গিয়েছে ১৯ জুলাই স্বাস্থ্য দফতর, জেলা পুলিশ এবং ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের আধিকারীকরা একযোগে হানা দিয়েছিলেন সেখানে। আচমকা হানায় দেখা যায় সেখানকার অধিকাংশ মিষ্টির দোকানে রান্না ঘরে পড়ে রয়েছে ছাতা পরা সব ল্যাংচা। সেগুলোই বিক্রি করা হচ্ছে ক্রেতাদের। চরম অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতিতে তৈরি হচ্ছিল সেসব ল্যাংচা। কোনও রকম সুরক্ষার মান ছিল না সেখানে।
এদিকে ল্যাংচা ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন কোনও রকম ছত্রাক কোনও মিষ্টিতে ছিল না। ল্যাংচাকে আফ ফ্রাই করে ১০ থেকে ১৫ দিন রেখে দেওয়া যায়। তার গুণগত মান একটুও নষ্ট হয় না। রসে দেওয়ার আগে ৫ থেকে ১০ মিনিট ধরে সেটিকে আবার ভেজে তারপরে রসে ফেলা হয়। ১২০ থেকে ১৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ভাজা হয় ল্যাংচাগুলি। তাই এতে ছত্রাক পড়তেই পারে না।












Click it and Unblock the Notifications