একেবারে ল্যাব বানিয়ে চলছিল হেরোইন তৈরি! বাংলায় বড়সড় কেলেঙ্কারি ফাঁস
বাংলায় হেরোইন তৈরির বড়সড় কেলেঙ্কারি ফাঁস! একেবারে ল্যাব বানিয়ে তৈরি করা হচ্ছিল এই মাদক। তাও আবার কিনা অবসরপ্রাপ্ত এক নৌসেনা'র প্রাক্তন আধিকারিকের বাড়িতে। আর এই ঘটনার রীতিমত অবাক তদন্তকারীরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কাটোয়
বাংলায় হেরোইন তৈরির বড়সড় কেলেঙ্কারি ফাঁস! একেবারে ল্যাব বানিয়ে তৈরি করা হচ্ছিল এই মাদক। তাও আবার কিনা অবসরপ্রাপ্ত এক নৌসেনা'র প্রাক্তন আধিকারিকের বাড়িতে। আর এই ঘটনার রীতিমত অবাক তদন্তকারীরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কাটোয়া'র রাজোয়া গ্রামে।

সেখানে বাড়িতে ল্যাব বানিয়ে হেরোইন তৈরি'র কাজ চলছিল বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ধৃতদের জেরা শুরু করেছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। তৈরি হওয়া হেরোইন কোথায় কীভাবে ছড়িয়ে পড়ত তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এমনকি এর পিছনে কোনও বড়সড় চক্র রয়েছে কিনা তাও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে পুলিশের তরফে।
গোপন সূত্রে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের কাছে এই ধরণের বেশ কিছু তথ্য সামনে আসে। এরপর গোপন সূত্রে কাটোয়া থানাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে এসটিএফের আধিকারিকরা হানা দেয়। কার্যত সেখানে ঢুকে তাজ্জব হয়ে যান এসটিএফের আধিকারিকরা। ল্যাব বানিয়ে হেরোইন তৈরির কারবার চলছে।
ঘটনাস্থল থেকে প্রচুর পরিমাণে মরফিন এবং রাসায়ানিক উদ্ধার করেছেন এসটিএফ আধিকারিকরা। মূলত মরফিন মিশিয়ে রাসায়ানিকের সঙ্গে এই কেলেঙ্কারি চলছিল। মুলত মরফিন আফিক গাছ থেকে পাওয়া যায়। সেটি কোথা থেকে আসে সেটিও এই মুহূর্তে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
অন্যদিকে ওই বাড়ি থেকে লক্ষ টাকারও বেশি নগদ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে নৌবাহিনীর প্রাক্তন ওই আধিকারিক সহ এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে দুজনকে হলদিয়া থেকে নিয়ে এসে কাজ করানো হচ্ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তাঁরা এভাবে ল্যাবে হেরোইন বানাতে অভিজ্ঞ বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।
লক্ষ লক্ষ টাকার বেতন তাঁদের দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ এসটিএফের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
ইতিমধ্যে অইউ ল্যাব রাজ্য পুলিশের তরফে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত উদ্ধার হওয়া নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কার্যত এভাবে ল্যাবে হেরোইন বানানোর বড়সড় কেলেঙ্কারি ফাঁস রাজ্য পুলিশের কাছে বড়সড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি পুলিশের তরফে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেফতারের পর থেকে দফায় দফায় ওই বাড়ির মালিক অর্থাৎ নৌবাহিনীর প্রাক্তন কর্মীকে জেরা করছে এসটিএফ।
তদন্তকারীর মনে করছেন এর পিছনে বড়সড় কোনও যোগ থাকতে পারে। আর সেটাই এখন খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।












Click it and Unblock the Notifications