হঠাৎ মধ্যরাতে কেঁপে উঠল মাটি! আশঙ্কাই তাহলে সত্যি হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?
সাত সকালে ফের খনি অঞ্চল জুড়ে ফাটল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে অন্ডালের শংকরপুর এলাকাতে। যা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে।
ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। কীভাবে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেআইনি ভাবে কয়লা উত্তোলনের কারণেই ফাটল দেখা দিচ্ছে বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই ফাটলের কারণ ঠিক কি তা দেখা হচ্ছে।

এলাকার কয়লা পরিবহন করা গাড়ির একচালক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে তিনি যখন গাড়ি দাঁড় করিয়েছিলেন তখন সব ঠিকঠাকই ছিল। হঠাৎ করেই রাত দেড়টা নাগাদ একটা কম্পন অনুভূত হয়। কিন্তু কেন এমন কম্পন তখন কিছুই বুঝতে পারেননি বলে জানান ওই গাড়ির চালক। কিন্তু সকাল হতেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ওই গাড়ি চালক লক্ষ্য করেন এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে।
যা দেখে রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। আর এরপরেই সংশ্লিষ্ট ওই খনির আধিকারিকদের খবর দেন তিনি। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় অন্ডাল থানার বন বহাল ফাঁড়ির পুলিশকে। গোটা এলাকা এই মুহূর্তে ঘিরে রাখা হয়েছে। কাউকে সামনে যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। বিপদের আশঙ্কাতে মোতায়েন হয়েছে পুলিশ।

ঘটনার পরেই খনির সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি ইসিএলকেও পুরো বিষয়টি জানানো হয়। যদিও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে ইসিএলের কোন আধিকারিক আসেননি। বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে রানিগঞ্জ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উত্তরাখন্ডের যোশী মঠে যখন ধস নামে সেই সময়ে এই ঘটনার কথা উল্লেখ করে বাংলার এই খনি অঞ্চল নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করে মন্তব্য করেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয়ে উদাসীন। এমনকি যে টাকা দেওয়ার কথা ছিল সেটাও দেয়নি।

শুধু তাই নয়, রানিগঞ্জ এলাকাতে ধস নামলে ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। শুধু তাই নয়, ৩০ হাজার মানুষ প্রভাবিত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications