দাঁইহাটে সুকান্তর উপস্থিতিতেই বিজেপি কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি, দিলীপ গোব্যাক স্লোগান
দাঁইহাটে সুকান্তর উপস্থিতিতেই বিজেপি কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি, দিলীপ গোব্যাক স্লোগান
বিধানসভায় ক্ষমতা দখল করতে না পারার পর তৃণমূল থেকে আসা একঝাঁক নেতা আবার ঘাসফুল শিবিরে ফিরে গিয়েছে৷ তবুও এখনও দলের অন্তর্দ্বন্দ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসছে পারছে না বঙ্গ-বিজেপি। নতুন রাজ্য সভাপতি নিয়োগেও যে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি বিজেপি তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায়৷ শুক্রবার দলের একটি কর্মী সভায় বিজেপির প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতির সামনেই দলীয়কার্যালয়ে হাতাহাতিতে জড়ালেন গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা।

কাটোয়ার দাঁইহাটের বাগতিঘর জেলা কার্যালয়ে একটি সাংগঠনিক সভা ও নবনিযুক্ত রাজ্য সভাপতি ডঃ সুকান্ত মজুদারকে সংর্বধনা জানানোর কথা ছিল। সেই উদ্দেশ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা কার্যালয়ে প্রচুর বিজোপি কর্মী সমর্থক এসেছিলেন। বিপত্ত শুরু হয় সুকান্ত-দিলীপ পৌঁছানোর আগেই৷ এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি কৃষ ঘোষ এবং দাঁইহাট নগর সভাপতি অনুপ বসুকে সামনে পেয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন উপস্থিত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের একাংশ৷ তাঁদের অভিযোগ ভোটের পর বিজেপি কর্মীরা যখন জেলাজুড়ে আক্রান্ত হচ্ছিলেন তখব এই দুই নেতা কোনও সমর্থকের সাহায্যে এগিয়ে আসেননি৷ কর্মীদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূর ভোটের ফলের পর একপ্রকার গা ঢাকা দিয়েছিলেন এই দুই জেলা শীর্ষ নেতা৷
এছাড়াও দাঁইহাটের কার্যালয়ে এদিন উপস্থিত কর্মী সমর্থকদের আরও বড় একটি অভিযোগ ছিল এই দুই নেতার কারণেই বিজেপি হেরেছে এলাকায়। কৃষ্ণ ও অনুপ কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি বিজেপিরই দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়৷ চলে টেবি চেয়ার সহ দলীয় কার্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্রেও আক্রমণ। এমনকি কৃষ্ণ ও অনুপকে দলীয় কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টাও হয় বলে জানা গিয়েছে।
এরপরই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এরপর দাঁইহাটের দলীয় কার্যালয়ে আরও একপ্রস্ত ঝামেলা শুরু হয়। বাংলার একটি টিভি চ্যানেলের প্রকাশিত খবর অনুসারে এই সময় দিলীপ ঘোষ বলেন, ঝামেলা না থামলে পুলিশ ডেকে লাঠিচার্জ করা হবে। এতে বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভে গোব্যাক দিলীপ ঘোষ স্লোগান তোলেন৷
এই ঝামেলা প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, 'যারা দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচূর চালিয়েছে তারা কেউ-ইবিজেপি কর্মী নন। তবুও যদি কোনও বিজেপি কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কড়া ব্যবস্থা নোওয়া হবে৷












Click it and Unblock the Notifications