লালা যোগ সাত ইসিএল কর্তা'র, নিয়েছিলেন টাকাও! কয়লা তদন্তে আদালতে দাবি সিবিআইয়ের
যোগ রয়েছে লালা'র সঙ্গে, নিয়েছিলেন টাকাও! কয়লা তদন্তে আদালতে বিস্ফোরক সিবিআই
কয়লা কাণ্ডে নয়া মোড়। ইতিমধ্যে সাত ইসিএল আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। বুধবার সকাল থেকে দফায় দফায় জেরা শেষে গ্রেফতার করা হয় সাত কর্তাকে। যাদের মধ্যে বর্তমান জেনারেল ম্যানেজার পদমর্যাদা'র বেশ কয়েকজন রয়েছেন আবার রয়েছেন দুইজন সিকিউরিটি ম্যানেজারও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
ইতিমধ্যে ধৃতদের সঙ্গে কয়লা মাফিয়াদের যোগাযোগের বেশ কিছু প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এমনকি মোটা অঙ্কের টাকাও লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে এভাবে ইসিএল কর্তাদের জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। কুণাল ঘোষ বলেন, সিবিআইয়ের নিরপেক্ষ ভাবে গভীরে গিয়ে তদন্তের প্রয়োজন।

ধৃতদের মদতেই কয়লা কেলেঙ্কারি ঘটে
আর এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের। আজ বৃহস্পতিবার ধৃতদের আসানসোল আদালতে তোলা হয়। সেখানে নতুন করে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার দাবি জানান তদন্তকারীরা। আদালতে সিবিআই তাঁদের আইনজীবী মারফৎ জানান, ২০১৮ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ধৃতদের মদতেই কয়লা কেলেঙ্কারি ঘটে। শুধু তাই নয়, এমনকি ধৃত প্রত্যেকের সঙ্গেই অনুপ মাঝির ওরফে লালা'র যোগাযোগ রয়েছে বলেও দাবি সিবিআইয়ের। এমনকি মোটা অঙ্কের টাকা'র লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ।

অঙ্গুলি হেলনেই সমস্ত কেলেঙ্কারি ঘটত
লালা'র থেকে বিভিন্ন সময়ে ধৃতরা নানা রকম সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে বলেও অভিযোগ তদন্তকারীদের। ফলে কয়লা কেলেঙ্কারি'র সূত্রে পৌঁছতে ধৃত হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, কয়লা পাচার-কাণ্ডে ইতিমধ্যে লালা'র নাম সামনে এসেছে। তাঁর অঙ্গুলি হেলনেই সমস্ত কেলেঙ্কারি ঘটত বলে অভিযোগ। তবে এই বিষয়ে ধৃতদের জেরা করে আরও তথ্য জানা যাবে বলে মনে করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

ধৃতদের মধ্যে বর্তমান জিমও আছেন
অন্যদিকে ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার অভিজিৎ মল্লিক, প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার তন্ময় দাস। তালিকায় বেশ কয়েকজন বর্তমান জেনারেল ম্যানেজার এবং ম্যানেজারও রয়েছে। যেমন রয়েছেন এসসি মিত্রের নামও। এমনকি সিকিউরিটি ম্যানেজার মুকেশ কুমার সহ বেশ কয়েকজনের নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এদের মধ্যে দুজনের নাম কয়লা সংক্রান্ত সিবিআইয়ের এফআইআরে আগেই ছিল বলে খবর।

সিবিআই র্যাডারে ছিল
সিবিআই সূত্রে, ইসিএলের এই সাতজনই দীর্ঘদিন ধরে সিবিআই র্যাডারে ছিল। এমনকি তাঁদের বাড়িতে এবং অফিসেও একাধিকবার তল্লাশি হয়েছে বলে খবর। বেশ কিছু নথিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে ধৃতদের দফায় দফায় জেরা শেষে রাতে গ্রেফতার করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications