বন্ধ হবে ডায়লগ! ED-CBI-এর সঙ্গে পাঙ্গা নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সতর্ক করলেন দিলীপ ঘোষ
আগে বলেছিলেন আরএসএসের প্রচারক থাকার সময় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছিলেন সাইকেলে। আর দলের তরফে মেদিনীপুর থেকে বর্ধমান-দুর্গাপুরে পাঠানোর পরে দিলীপ ঘোষ জনসংযোগের প্রাথমিক উপায় হিসেবে বেছে নিয়েছেন প্রাতর্ভ্রমণকেই। সোমবার সকালে তিনি দুর্গাপুরের বিধাননগরে প্রাতর্ভ্রমণ করে পলাশডিহায় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে চা-চক্রে যোগ দেন।
রবিবার দুপুরে উত্তরবঙ্গে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে বিধ্বংসী ঝড়ের তাণ্ডব দেখেছে দেশবাসী। রাতেই সেখানে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সেখানে গিয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পরবর্তী সময়ে সেখানে যাওয়ার কথা রয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, উত্তরবঙ্গে ঝড় শুরু হয়েছে, ভোটও শুরু হয়েছে। বিজেপির ঝড় শুরু হয়ে গিয়েছে, তাতেই লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, এই সময় কালবৈশাখী হয়। তবে উত্তরবঙ্গে এই ধরণের ঝড় তিনি প্রথম দেখলেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সরকারের দায়িত্ব সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বিজেপি কর্মীরাও দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। দুর্গত মানুষেরা যাতে তাড়াতাড়ি পরিষেবা পান, সেদিকে সরকারের লক্ষ্য রাখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ।
রবিবার দুপুরে কৃষ্ণনগরের ধুবুলিয়ায় করা সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে নিশানা করেন। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে,, দিলীপ ঘোষ বলেন, উনি যত আক্রমণ করবেন, বিজেপির আসন ততই বাড়বে। ২০১৯-এ উনি ৪২-এ ৪২ বলেছিলেন। সেই সময় তৃণমূলের আসন ৩৪ থেকে ২২-এ নেমে এসেছিল। আর এবার তা আরও কমবে বলেও দাবি করেন দিলীপ ঘোষ। এবার আরও বারোটা কমবে, তারপর ডায়লগ বন্ধ হয়ে যাবে, মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ।
রবিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ইডি-সিবিআই ডাকলে যাওয়ার দরকার নেই। এব্যাপারে দিলীপ ঘোষ বলেন, না গেলে কী হয়, তা কেষ্ট আর পার্থকে জিজ্ঞাসা করুন। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, উনার এক ভাই তো ইডি-সিবিআই-এর কাছে না গিয়ে এখন তিহারে রয়েছেন। তাই ইডি-সিবিআই-এর সঙ্গে পাঙ্গা নেওয়া উচিত নয়। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যারা যারা চুরি-লুট করেছে, তাদেরকে ভগবানও বাঁচাতে পারবে না।
বিজেপি হারবে, মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, কালীঘাটে বন্দি হয়ে যাবেন। কেউ পিসিও বলবে না, দিদিও বলবে না। দলের নেতানেত্রীদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সার্টিফিকেট দেওয়া প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, উনি তাদেরকেই সার্টিফিকেট দেন, যারা চোর-যোচ্চোর, লুটেরা।
তৃণমূলকে নিশানা করতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ওদের সাধারণ সৌজন্যবোধ টুকুও চলে গিয়েছে। বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ সম্পর্কে দিলীপ ঘোষ বলেন, সাত সমুদ্র তেরো নদীর পার থেকে প্রার্থী নিয়ে এসেছে। তিনি এখানকার মানুষদের সম্পর্কে কিছু জানেন না, আর সাধারণ মানুষও উনার সম্পর্কে কিছু জানেন না।












Click it and Unblock the Notifications