দিলীপকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের উন্মাদনা! বর্ধমানে প্রথম দিনেই কীর্তির 'লুজ' বল পাঠালেন সীমানার বাইরে
এসএস আলুওয়ালিয়াকে সরিয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির পছন্দ দিলীপ ঘোষ। সোমবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্ক হয়ে বেলা দশটা নাগাদ বর্ধমানের শক্তিগড়। তারপর দুর্গাপুরে গেলেন মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদ দিলীপ ঘোষ।
এযেন নিজের লোকসভা কেন্দ্র। বর্ধমান কিংবা দুর্গাপুত সর্বত্রই গেরুয়া আবির মাখিয়ে স্বাগত দিলীপ ঘএাষকে স্বাগত জানালেন কর্মী-সমর্থকরা। প্রথমে পূর্ব বর্ধমানের বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে সংবর্ধনা জানানো হয় তাঁকে। তারপর বুদবুদ পানাগড় এবং রাজবাধে মালা পরিয়ে পদ্ম ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় দিলীপ ঘোষকে।

সোমবার সকালে দুর্গাপুরে রঙের উৎসবে সামিল হয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ বলেন, বর্ধমান-দুর্গাপুরে তৃণমূল ৯৯% জিতে গিয়েছে। এক পার্সেন্ট জিততে সময়ের অপেক্ষা। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে পাল্টা দিলীপ ঘোষ বলেন, উনি তৃণমূলও জানেন না, বর্ধমানও জানেন না। তবে প্রথম দিন বলে আর কিছু বলতে চাননি তিনি। বিরোধী প্রার্থীদের সঙ্গে লড়াই করতে বর্ধমান-দুর্গাপুরে ঘাঁটি করতে চলেছেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ অবশ্য কীর্তি আজাদের মন্তব্যকে লুজ বল বলেই গণ্য করছেন। কীর্তি আজাদের মাঠ আর যাই হোক তা যে দিল্লি কিংবা বিহারের মতো হবে না প্রথম দিনেই তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।
সোমবার দিলীপ ঘোষ দুপুর দেড়টা নাগাদ পশ্চিম বর্ধমান জেলায় প্রবেশ করেন। সেই সময় পানাগড় বাজারে তাঁকে স্বাগত জানান বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। এদিন দিলীপ ঘোষের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান সদরের বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা, বর্ধমান সদরের বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি রমন শর্মা-সহ কাঁকসার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।
এদিন দিলীপ ঘোষ পানাগড় বাজারে লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরের সামনে এসে পৌঁছাতেই তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্বর্ধনা ও স্বাগত জানান বিজেপির কর্মীরা। এরপর সেখান থেকে পায়ে হেঁটে পানাগড় বাজারে বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত যান এবং সেখান থেকে দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
পানাগড় থেকে বাঁশকোপা পৌঁছাতেই সেখানে দিলীপ ঘোষকে স্বাগত জানান বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বাঁশকোপা থেকে এরপর দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। জানা গিয়েছে, সোমবারের পরে মঙ্গলবারেও দুর্গাপুরে বেশ কিছু কর্মসূচি রয়েছে দিলীপ ঘোষের।
এদিন সকালে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, রাজ্যে বিজেপিকে গ্রামে গঞ্জে নিয়ে গিয়েছেন তিনিই। দল নির্বাচনে যেখানে লড়াই করতে বলেছে, সেখানে লড়াই করেছেন। এখন যেখানে লড়াই করতে বলছে, সেখানে লড়াই করছেন। তিনি বলেছেন, সারা পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও আসনে জিততে পারি, তা করে দেখিয়েছি, এবারও তাই হবে।












Click it and Unblock the Notifications