আগে রোগীরাই ছিলেন ভরসা! আরজি করের ঘটনার পরে মহকুমা হাসপাতালের নতুন করে ভাবনায় ভরসা বেসরকারি হাসপাতাল
আরজি কর হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের পরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের মধ্যে নিরাপত্তার অভাব বোধ হচ্ছে বলেই বহু চিকিৎসক সংবাদ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভীষণ ভাবে রোগীর চাপের সঙ্গে ঢিলে ঢালা নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে উঠে এসেছে বারবারে। তবে হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পরে ঘটে যাওয়া ঝামেলা ছাড়া অন্য কোনও অঘটন তেমন ঘটেনি।

তবে আরজি কর হাসপাতালের ভয়ঙ্ক্রর ঘটনার পরেই টনক নড়েছে এবং ভয়ের একটা হালকা বাতাস বইছে হাসপাতালের অন্দরে। দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীমান মণ্ডল বলেন, এতদিন এ বিষয়ে ভাবিনি। চিকিৎসকদের কাছে রোগীরাই নিরাপত্, এটা বুঝেই সবাই কাজ করেছেন। কোনও দিন ঘটেনি কোনও ঘটনা। কিন্তু এবার ভাবতে হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস ছাড়া অন্য কিছুর ওপরে ভরসা করে এগোন যাবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
হাসপাতালে সিসিটিভি রয়েছে, নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছে। এছাড়াও মতামত নিয়ে যদি দেখা যায় আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন আছে, তবে তা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। হাসপাতাল সুপার বলেছেন, বেসরকারি হাসপাতালের হাইজিন ব্যবস্থার মতো ব্যবস্থা করার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে আবেদন করা হয়েছে। তবে সরকারি দপ্তরের নিয়ম অনুসারে তা সময় লাগবে। তাই অনুরোধের ভিত্তিতে বেসরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান কবি দত্ত বলেন, রোগীদের অভ্যাস অপরিষ্কার-অপরিছন্ন রাখা, আর কর্তপক্ষ চলে গয়ংগচ্ছ ভাবে। কিন্তু এর পরিবর্তন চাওয়া হয়েছে। হাসপাতালের তরফে তিন বেসরকারি হাসপাতালের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। তারা রাজি হয়েছেন, দুই হাসপাতাল দুইতলা পরিস্কারের কাজ করবেন, আর একটি বেসরকারি হাসপাতাল নিরাপত্তা রক্ষার বিষয়টি দেখবে।
পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেছেন, হাসপাতালের পরিছন্নতা দেখভাল করবেন তিন বেসরকারি হাসপাতাল , তাদের সাহায্যেই পরিষ্কার রাখা হবে হাসপাতাল। পঞ্চায়েত মন্ত্রী চিকিৎসক ঘাটতির প্রশ্নে বলেন, সবসময় চাইলেই পাওয়া যায় না, আবার চিকিৎসকরা আসতেও চান না ।












Click it and Unblock the Notifications