বৃষ্টিতে গাড়ুই নদীর জলে ভাসল আসানসোল, দুর্গাপুরে জল ঢুকল একতলা বাড়িতে
প্রবল বৃষ্টিতে রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গা এই মুহূর্তে বিপর্যস্ত। জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে অনেক জায়গাতেই৷ বহু এক তলা বাড়িতেও জল ঢুকে যাওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। দুর্গাপুর ও আসানসোল পুরসভার অনেক জায়গা জলমগ্ন।
গত ২৪ ঘন্টা টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন আসানসোল এলাকার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড। আসানসোল পুরসভার রেলপার, ওকে রোড এলাকা টানা বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। গাড়ুই নদীর জল উপচে পড়ে ওকে রোড এলাকায় অসংখ্য বাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

প্রসঙ্গত, গাড়ুই নদীর সংস্কারের দাবিতে কয়েক দিন আগেও প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধী রাজনৈতিক দল বিজেপি। পুরসভার পক্ষ থেকে বর্ষার আগে নদী সংস্কার করার কাজ চলছে বলে জানানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির জেরে গাড়ুই নদী এলাকা ভাসালো। নদী সংলগ্ন বেশ কিছু বাড়িতে জল ঢুকে যায়।
অপর দিকে আসানসোল পুরনিগমের কুলটি বরো নেয়ামতপুর এলাকাও জলমগ্ন। বেশ কয়েকটি বাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছে। আসানসোল দিলদার নগর এলাকাতে জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। ফলে জল যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ভারী বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকা। ১৬ নং ওয়ার্ডের ঋষি অরবিন্দ নগরের একাধিক বাড়ি জলমগ্ন। রাত থেকেই চরম সমস্যার মুখে এলাকার মানুষ। এলাকায় হাঁটু সমান জল। নিকাশী নালা বেহালের জেরে প্রতি বছরই বর্ষায় এই এলাকা জলমগ্ন হয় বলে অভিযোগ।
এই ভাবে বৃষ্টি হতে থাকলে বহু বাড়ি জলমগ্ন হয়ে যেতে পারে। আশঙ্কায় এলাকার বাসিন্দারা। এছাড়াও দুর্গাপুরের সগরভাঙা ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রমিকপল্লীর বেশ কিছু বাড়িতে জল ঢুকে যায়। দুর্গাপুর নগর নিগমের পক্ষ থেকে এলাকা বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্গাপুরে মেনগেট এলাকার তামলা এলাকাও জলমগ্ন। বাড়ির ছাদের ওপরে আশ্রয় নিতে হয় অনেক পরিবারকে। ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের রাতুরিয়ায় অতি বৃষ্টির কারণে দেওয়াল ভেঙে চাপা পড়ে আহত হন এক ব্যক্তি।












Click it and Unblock the Notifications