Burdwan: বর্ধমান স্টেশনে ট্যাঙ্ক ভেঙে দুর্ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু, নতুন সিদ্ধান্ত রেলের
বর্ধমানে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ল। আরও একজন মারা গেলেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল চার। ৩৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মৃত ওই ব্যক্তির নাম সুধীর সূত্রধর। তিনি বর্ধমানের মেমারির কলেজ পাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। দুর্ঘটনায় তিনি জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল শুরু থেকেই। মৃত্যু হল তার।

ঘটনার দিনই তিনজন মারা গিয়েছিলেন। এবার আরও একজনের মৃত্যু হল। অনেকেই প্রায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বাকিরাও সুস্থ হওয়ার পথে। আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া কথা ঘোষণা হয়েছে। মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। রেলের তরফ থেকে চলছে চিকিৎসার ব্যবস্থা।
১৮৯০ সালে বর্ধমান স্টেশনে ওই জলের ট্যাঙ্ক তৈরি হয়েছিল। এত দীর্ঘ সময় ওই জলের ট্যাঙ্ক ব্যবহার হয়েছে। কীভাবে শতাব্দী প্রাচীন এই জলের ট্যাঙ্ক ব্যবহার করা হল? তাই নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। রেলের তরফ থেকে মুখ বন্ধ রাখা হয়েছে। যদিও রেল পুলিশ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে।
ওই পরিস্থিতির পর থেকেই বর্ধমান স্টেশনের পরিকাঠামগত ত্রুটি নিয়ে ক্ষোভ সামনে এসেছে। যাত্রীদের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ রয়েছে স্টেশনের কর্মীদের পরিষেবা ঘিরে। রেল কর্তারাও বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থার আশ্বাস দিচ্ছেন। অন্য দিকে রেলও এই ঘটনায় শিক্ষা নিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, জলের ট্যাঙ্ক কি কেবল রং করা হত? বাইরে থেকে চকচকে দেখতে লাগত। কিন্তু ভিতরে সম্পূর্ণ মরচে পরে গিয়েছে।
রেল দফতর হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল, বর্ধমান, মালদহ ডিভিশনের স্টেশনগুলিতে থাকা জলের ট্যাঙ্কগুলির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রবিবার পাওয়া খবর অনুযায়ী, ১১ জন এখনও বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications