সিবিআই তদন্ত চেয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে ময়নাগুড়ির নির্যাতিতা'র বাবা
ময়নাগুড়ি-কাণ্ডেও এবার সিবিআই তদন্তের দাবি! সঠিক ভাবে তদন্ত হচ্ছে না। আর তাই সিবিআই তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ নির্যাতিতার বাবা। আজ সোমবার এক আইনজীবী কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্
ময়নাগুড়ি-কাণ্ডেও এবার সিবিআই তদন্তের দাবি! সঠিক ভাবে তদন্ত হচ্ছে না। আর তাই সিবিআই তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ নির্যাতিতার বাবা। আজ সোমবার এক আইনজীবী কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত আবেদন জানান।

শুধু তাই নয়, দ্রুত আবেদনেরও শুনানি জানানো হয়। জানা যাচ্ছে, খুব শিঘ্রই এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে কলকাতা হাইকোর্টে।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এদিনই মৃত্যু হয় ময়নাগুড়ির অগ্নিদগ্ধ নাবালিকার। গত ১১ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছিলেন ওই নির্যাতিতা তরুণী। আজ ভোর পাঁচ টা নাগাদ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। আর এরপরেই সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব হন ওই নাবালিকার বাবা। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, রাজ্য পুলিশের তদন্তে কোনও ভরসা নেই। তবে এই ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে একাধিক ধর্ষণ, ধর্ষণ চেষ্টা এবং গনধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। আবেদনকারী আইনজীবীরা সেই সমস্ত মামলাতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইতিমধ্যেই সেই মামলায় কেস ডায়েরি চেয়ে পাঠিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
আর এর মধ্যেই ফের সিবিআই চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা আরও এক মৃত নাবালিকার পরিবারের তরফে।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত ২৪ জানুয়ারি বাড়িতে একা পেয়ে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে স্থানীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে মারাত্মক এই অভিযোগ ওঠে। কিন্তু কোনও ভাবে ওই নাবালিকা রক্ষা পেয়ে যান। যদিও ঘটনার পরেই অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়।
যদিও আগাম জামিন থাকায় পুলিশ অভিযুক্তকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় বলে অভিযোগ। আর এরপরেই লাগাতার ওই নাবালিকাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ।
এমনকি অভিযুক্ত এবং তাঁর সঙ্গীরা নানা ভাবে নির্যাতিতার উপর চাপ বাড়াতে থাকে বলে অভিযোগ। মামলা তুলে নেওয়ার জন্যে চাপ আসতে থাকে বলে দাবি পরিবারের। যা নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে ছিল ওই পরিবার। আর এরপরেই আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ওই নাবালিকা করে বলে অভিযোগ। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। আজ সকালে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।
খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ৪ জন গ্রেফতার হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, মূল অভিযুক্তকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্কও।












Click it and Unblock the Notifications