বিজেপি নেতাকে 'ঘরে' ফেরাতে এখনও ফোন করেন মন্ত্রী! তৃণমূলের 'নজর' থেকে বাঁচতে কোন পদক্ষেপ
ভোটের মরশুমে দলবদল চলছে পুরোদমে। তবে হেভিওয়েটের নিরিখে এই খেলায় অনেক এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি (bjp)। এই পরিস্থিতিতেই পুরনো নেতা হাতে পেতে চাইছে তৃণমূল শিবির। তাই বর্তমানে সেই বিজেপি নেতাকে নাকি ফোনও করছে তৃণমূলের (trina
ভোটের মরশুমে দলবদল চলছে পুরোদমে। তবে হেভিওয়েটের নিরিখে এই খেলায় অনেক এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি (bjp)। এই পরিস্থিতিতেই পুরনো নেতা হাতে পেতে চাইছে তৃণমূল শিবির। তাই বর্তমানে সেই বিজেপি নেতাকে নাকি ফোনও করছে তৃণমূলের (trinamool congress)মন্ত্রী। যা নিয়ে মন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির নেতা সায়ন্তন বসু (sayantan basu)।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে নেতাকে বহিষ্কার
মাসের শুরুতে উত্তরবঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় শিলিগুড়ির ড্রাই পোর্টে দলবদল নিতে হামলার অভিযোগ ওঠে প্রভাবশালী আইএনটিটিইউসির নেতা প্রসেনজিৎ রায়ের বিরুদ্ধে। ভাঙচুরে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি হয়। তোলার দাবিতেই এই হামলা বলে অভিযোগ করা হয়। যার জেরে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নেতাদের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরেই প্রসেনজিৎ রায় নামে ওই নেতাকে দল ও সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল কংগ্রেস। পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেবের উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এখনও ওই নেতা পলাতক, তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।

শক্তি বাড়াতে পুরনোদের দলে চাইছে তৃণমূল
এদিকে বহিষ্কারের পরে এলাকায় শক্তি বাড়াতে তৎপর তৃণমূল নেতৃত্ব। ওই নেতার দাপটে যাঁরা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন কিংবা অন্য দলে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের ফের দলে ফিরে পেতে চায় ঘাসফুল শিবির। সেই অনুযায়ী কাজও শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এব্যাপারে বর্তমানে বিজেপিতে নেতা জয়দীপ নন্দীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। তাঁকে প্রসেনজিৎ রায়ের এলাকায় দায়িত্ব দিতে চায় জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ বিজেপির
এব্যাপারে রাজ্যের এক প্রভাবশালী মন্ত্রী বারবার জয়দীপ রায়কে ফোন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। বারবার বিজেপি নেতাকে ফোন করে, তাঁকে উত্তক্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগও করেছেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ অনুরোধে কাজ না হওয়ায়, নেতাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে শিলিগুড়িতে মন্ত্রীর বাড়ির সামনে ধর্না দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সায়ন্তন বসু।

বিজেপি নেতার দাবি
এব্যাপারে জয়দীপ নন্দী বলেছেন, এলাকায় প্রসেনজিৎ রায়ের তোলাবাজির অভিযোগের প্রতিবাদেই দল ছেড়েছিলেন তিনি। কিন্তু ওই নেতাকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কারের পরেই, তাঁকে তৃণমূলে ফিরতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যে তৃণমূলের নেতা ও মন্ত্রির হাত থেকে বাঁচতে তিনি মোবাইল বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।

অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। পাল্টা তারা বলেছে প্রসেনজিৎ রায়কে দল থেকে বের করে দেওয়ার পরে অনেকেই তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন। তাঁদের দলে নেতার অভাব নেই বলেও দাবি করা হয়েছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications