হঠাৎ ইস্তফা রাজ্য পুলিশের ডিএসপির, শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে মতবিরোধ না রাজনৈতিক চাপ, কারণ নিয়ে জল্পনা
হঠাৎ ইস্তফা রাজ্য পুলিশের ডিএসপির, শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে মতবিরোধ না রাজনৈতিক চাপ, কারণ নিয়ে জল্পনা
হঠাৎই ইস্তফা জলপাইগুড়ি (jalpaiguri) পুলিশের (police) ডিএসপি (dsp) সমীর পালের। ভোটের মুখে অভিজ্ঞ পুলিশ আধিকারিকের ইস্তফা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের (election) মুখে কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদি পুলিশ মহলের শীর্ষস্তর থেকে এব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডিএসপির ইস্তফা
রাজ্যের বিভিন্ন থানায় কাজ করেছেন সমীর পাল। ডিএসপি পদমর্যাদা পয়েছিলেন তিনি। ৩৪ বছর রাজ্য পুলিশে কাটিয়ে হঠাৎই নিজের পদে ইস্তফা দিয়েছেন সমীর পাল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিনি নাকি ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন, শারীরিক ও মানসিক চাপ তিনি আর নিতে পারছিলেন না। তবে এব্যাপারে পুলিশের শীর্ষ মহল তেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়নি
তকবে রাজ্য পুলিশ সূত্রে খবর ডিএসপি সমীর পালের ইস্তফা পত্র গৃহীত হয়নি। তাঁকে পুলিশ সুপারের অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সমীর পালকে ডেকে আপসে আপাতত মীমাংসা করতে চায় পুলিশের শীর্ষমহল। কেননা ভোটের মুখে তাঁর মতো অভিজ্ঞ অফিসারকে ছাড়তে রাজি নয় শীর্ষমহল।

পুলিশ সুপারের সঙ্গে মতপার্থক্যের জের
অন্য একটি সূত্রের খবর, পুলিশ সুপারের সঙ্গে তাঁর মতভেদ দীর্ঘ দিন ধরেই। বিষয়টি নাকি পুলিশের শীর্ষমহলও জানে। তবে সেব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ। সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা নিয়ে পুলিশ সুপারের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ তৈরি হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

আছে কি কোনও রাজনৈতিক চাপ?
সমীর পালের ইস্তফায় কি কোনও রাজনৈতিকর চাপ রয়েছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। রাজ্যের নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকে পুলিশের শীর্ষমহলে একাধিক রদবদল হয়েছে। রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সরিয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তাঁকে ভোটের কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না। বিজেপির তরফে যেমন একাধিক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ করা হয়েছে, অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপি প্রভাবিত করছে নির্বাচন কমিশনকে। এই পরিস্থিতিতে অনেক পুলিশ আধিকারিকই মানসিক চাপ নিয়ে কাজ করছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।












Click it and Unblock the Notifications