মাদারিহাটের রাস্তার উপর দিয়ে বইছে জল, জলমগ্ন কালচিনির বহু এলাকা
ক্রমশই দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে পাহাড়ি নদীগুলো। তিস্তার পরিস্থিতি ভয়াবহ। বিভিন্ন জায়গাতেই হলুদ, লাল সর্তকতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক নদী দু'কুল ছাপিয়ে এলাকা ভাষাতে শুরু করেছে।
জলমগ্ন কালচিনি ও হ্যামিলটন গঞ্জের বিস্তর এলাকা। জলমগ্ন এলাকা এ দিন পরিদর্শন করল আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব। এছাড়া তার সঙ্গে ছিলেন কালচিনি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাধো লোহার।

এদিন জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব জানান, চা বাগানের জল সব চলে এসে এলাকা প্লাবিত করছে। এই বিষয়ে জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। এমনই জানান আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব।
মাদারিহাট ব্লকের জামতলা সংলগ্ন বাঙড়ি নদীতে জলস্ফীতি দেখা গিয়েছে। প্রবল গতিতে নদীর জল বয়ে চলেছে। বুধবার দেখা গেল রাস্তার উপর দিয়ে নদীর জল বইছে। ফলে ওই এলাকায় যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ। মাদারিহাটের সঙ্গে টোটোপাড়া, বল্লাল গুঁড়ি, হানটা পাড়া সহ বিস্তীর্ণ এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
পরিস্থিতি যথেষ্ট ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টি হলে গোটা এলাকা ভেসে যেতে পারে। এই আশঙ্কা করা হচ্ছে। জলদাপাড়া এলাকাতেও বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অভয়ারণ্যের ভিতর দিয়েও জল বয়ে চলেছে বহু জায়গায়।
চলতি সপ্তাহে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে। এই কথা আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কথাও বলা হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি যথেষ্ট দুশ্চিন্তার জায়গায় যেতে পারে। সে কথা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গে বন্যার আশঙ্কা করছেন। প্রশাসনকে এই বিষয়ে আগাম তৎপর হতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলা প্রশাসন প্রত্যেকটি বিষয়ে নজর রাখছে৷ ফ্লাড সেন্টারগুলিকে সচল করা হয়েছে। ত্রাণ শিবির খোলা হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।












Click it and Unblock the Notifications