রাজ্যপাল কলকাতা ফিরে দ্রুত দেখা করুন, এই বার্তা নিয়ে দার্জিলিংয়ে তৃণমূল প্রতিনিধি দল
রাজ্যপাল দার্জিলিং রাজভবনে সময় দিয়েছেন। সেজন্য কলকাতা থেকে দার্জিলিং উড়ে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের তিন প্রতিনিধি। ধরনা চলছে কলকাতায়। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস কলকাতায় ফিরে দ্রুত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করুন। এই দাবি নিয়ে তিন প্রতিনিধি দার্জিলিং গেলেন।
শনিবার সকালে কলকাতা থেকে রওনা হলেন তৃণমূলের দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেই তাঁরা ফিরে আসবেন কলকাতায়। শনিবার তৃতীয় দিনে পড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা। সেই মঞ্চে তাঁরা যোগ দেবেন।

এদিন সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, "আজকে আমরা যাচ্ছি। তবে সমস্যার সমাধানের জন্য নয়। সমাধান হবে যখন আমাদের রাজ্য বকেয়া টাকা পাবে। আমরা সেই পথে চলছি। আমাদের দাবি রাজ্যপাল এসে আমাদের সঙ্গে দেখা করুক আমাদের প্রতিনিধি দল এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে।"
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস সম্পর্কে তাঁর আরও বক্তব্য, "সত্যি যদি বাংলার জয়গান গাইতে চান, তাহলে আমাদের যে গরিব খেটেখাওয়া মানুষ, তাদের যে সাড়ে আট হাজার কোটি আবাসের টাকা এবং ৭ হাজার কোটি টাকা নরেগা টাকা বকেয়া রয়েছে, মেটাবার একটা দ্রুত ব্যবস্থা উনি করুন। উনি ফিরে আসুন উনি দেখা করুন আমরা এটাই বলতে যাচ্ছি।"
সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আমরা তিনজন যাচ্ছি। কিন্তু প্রধান প্রতিনিধি দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বে রাজভবনে যাবে। ওই প্রতিনিধি দলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরাও থাকবে, সাংসদরা থাকবে, মন্ত্রীরা থাকবে। যেহেতু রাজ্যপাল ইচ্ছাপ্রকাশ করছেন, দার্জিলিঙে দেখা করবেন। সেহেতু ওনাকে সম্মান জানানোর জন্য আমরা তিনজন যাচ্ছি। দেখা যাক কী হয়।"
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি কলকাতা আসছেন। দিল্লিতে তাঁর দফতরে দেখা করা প্রসঙ্গেই বিস্তর জলঘোলা হয়েছিল। মন্ত্রী দেখা করেননি বলে দাবি করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, মন্ত্রীর অভিযোগ, তৃণমূল প্রতিনিধি দল তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেনি। তিনি সময় দিয়েছিলেন।
কৃষি ভবন থেকে তৃণমূল প্রতিনিধি দলকে টেনেহিঁচড়ে বার করে দিল্লি পুলিশ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়দের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অমিত শাহের পুলিশের উপরেও ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।












Click it and Unblock the Notifications