বড় বিপদ থেকে রক্ষা মৌসম বেনজির নূরের, ফুলহার নদীতে নৌকায় ছিলেন তৃণমূল সাংসদ
বিপদ থেকে রক্ষা পেলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। ফুলহার নদীতে নৌকায় উঠেছিলেন তিনি। সেই সময় নৌকা ভারসাম্য হারিয়েছিল। কিছু সময়ের জন্য নৌকা উল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। মাঝিরা পরিস্থিতি সামলে নেন। বড় বিপদ হয়নি। তবে তৃণমূলের জেলার এক নেতা নদীতে পাড়ের কাছেই পড়ে যান নৌকা থেকে।
মালদহের ফুলহার নদীতে জল বেড়েছে। বন্যা পরিস্থিতি রতুয়ার মহানন্দাটোলা অঞ্চলে। আজ বৃহস্পতিবার ওই অঞ্চল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মৌসম বেনজির নূর ও তৃণমূলের নেতারা। ত্রাণ নিয়ে ওই অঞ্চলে ক্ষোভ রয়েছে। রাজ্যসভার সাংসদকে সামান্য বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বলেও খবর।

গত কয়েকদিন ধরেই ফুলহার নদীতে জল বেড়েছে একাধিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে আশেপাশের। সাধারণ মানুষ দুর্গত এলাকায় সঠিকভাবে ত্রাণ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। সেই নিয়ে ক্ষোভও ছড়িয়েছে। মহানন্দাটোলায় একাধিক এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সঙ্গে চলছে নদী ভাঙন। তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে এদিন মৌসম বেনজির নূর ত্রাণ নিয়ে গিয়েছিলেন ওই এলাকায়। এটি সরকারি ত্রাণ ছিল না। সেই সময় এই বিপত্তি হয়।
বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভে পড়লেন রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। সেই সঙ্গে পড়লেন নৌকা দূঘটনার কবলে। অল্পের জন্য ফুলহার নদীতে তলিয়ে যাওয়ার থেকে বেঁচে যান মৌসম। মাঝিদের তৎপরতায় নৌকাডুবি হয়নি।
ফুলহার নদীর প্লাবিত জলে পড়ে গেলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা সোমিত্র রায়। কোনক্রমে স্থানীয় বাসিন্দাদের চেষ্টায় পাড়ে উঠলেন তিনি। ঘটনাটি মালদার জেলার রতুয়া থানা এলাকার মহানন্দাটোলা অঞ্চলের কাছে।
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় সাংসদকে। এই বিষয়ে মৌসম জানান, স্থানীয় কর্মাধ্যক্ষের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছিল। ত্রাণ না পেয়ে কেউ ফিরে যাবেন না, সকলেই পাবে। নৌকার বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, সেটি একটি দুর্ঘটনা।
বিজেপির দক্ষিণ মালদহের সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ির বক্তব্য, সেচ দফতরের মন্ত্রী জেলায় আছেন। তারপরও ভাঙন রোধের কাজ হয় না মালদহে। অথচ কেন্দ্রীয় সরকার ভাঙন রোধের টাকা দিয়েছে। কাজ না করে এখন ত্রাণ বন্টন করতে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। স্বাভাবিকভাবেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications