ভোটের আগেই চড়ছে উত্তেজনার পারদ! দিনেদুপুরে দিনহাটায় তৃণমূল নেতাকে গুলি
আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি আগামী ১০৮ পুরসভায় নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের আগেই ক্রমশ চড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর আসতে শুরু করেছে। আর এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগেই চলল গুলি। তাও আবার কিনা দিনহাটা শহরে। গুলিবিদ্ধ হত
আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি আগামী ১০৮ পুরসভায় নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের আগেই ক্রমশ চড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর আসতে শুরু করেছে। আর এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগেই চলল গুলি। তাও আবার কিনা দিনহাটা শহরে। গুলিবিদ্ধ হতে হল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দিনহাটাতে।

আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল পরিস্থিতি। আর সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একবার উত্তেজনা দিনহাটা শহরে। পুরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনার পরেই বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। কি কারণে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, এই ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা খোঁজার চেষ্টা চলছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও।
স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এলাকাতে সংগঠন নেই বিজেপির। যাওয়া পাচ্ছে না। আর সেই কারণে সন্ত্রাসের আবহে তৈরি করার চেষ্টা বিজেপি চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। আতঙ্ক বাড়াতে এলাকায় দুস্কৃতিদের নিয়ে আসা হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতার।
অন্যদিকে বিজেপির দাবি, তৃণমূলের ভাষায় তো বিজেপি নেই। বিজেপিকে কেন দোষ দেওয়া হচ্ছে! কটাক্ষ বিজেপি নেতার। তাঁর দাবি, এই ঘটনা আসলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের ফলেই ঘটেছে। যদিও এই ঘটনার পর এলাকাতে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এভাবে ভোটের আগে দিনহাটায় প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
যদিও এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, শনিবার বেলায় বিজু দাস নামে ওই ব্যক্তিকে টার্গেট করে হঠাত করে গুলি চলে। বিজু দাস ৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী মিঠু দাসের স্বামী। মিঠু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই জিতেছে। কিন্তু এরপরেও উত্তেজনা!
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, স্কুটিতে যাওয়ার সময় বিজুকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। মাঠিতেই লুটিয়ে পড়েন বিজু। এরপর গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক বলে জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, গতমাসের শেষের দিকে দিনহাটা পুরসভার নয় নম্বর ওয়ার্ডে দলের কর্মীসভায় গিয়ে দুয়ারে প্রহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন উদয়ন গুহ। জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান বলেছিলেন, নারায়ণের ভাণ্ডারের সুযোগ নিয়ে যদি কেউ তৃণমূলকে ভোট না দেন তাহলে নতুন প্রকল্প চালু করা হবে। তা হল দুয়ারে প্রহার।
আর সেই বিতর্ক কাটতে না কাটতেই আজ ফের একবার হাটু কেটে ফেলার হুমকি দেন উদয়ন। ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই দিনহাঁটা পুরসভা জিতেছে তৃণমূল। আর এর মধ্যেই এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা।












Click it and Unblock the Notifications