সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ছবি! পাখি মারার বন্দুক বললেন প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতা
তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সিরাজউদ্দিন আলি'র সম্প্রতি একটি ছবিকে কেন্দ্র করে যাবতীয় ঘটনার সূত্রপাত। যদিও এই নেতা পুকালু খান হিসাবেই বেশি পরিচিত। হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লক যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে কাজ করছেন
বন্দুক হাতে ভাইরাল তৃণমূল নেতা! আর তা ভাইরাল হতেই তীব্র অস্বস্তিতে তৃণমূলে। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সিরাজউদ্দিন আলি'র সম্প্রতি একটি ছবিকে কেন্দ্র করে যাবতীয় ঘটনার সূত্রপাত। যদিও এই নেতা পুকালু খান হিসাবেই বেশি পরিচিত। হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লক যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে কাজ করছেন।

সম্প্রতি এই নেতা তাঁর ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে তাঁকে একেবারে বন্দুক হাতে দেখা যাচ্ছে। আর এই ছবি পুকালু তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে দেওয়ার পরেই মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, একেবারে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে তৃণমূল নেতা! ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমত রাজনৈতিক চাপানোতর শুরু হয়েছে।
এই ঘটনায় তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। ঘটনায় মুখ খুলেছেন উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। তাঁর দাবি, এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে শাসকদল। শুধু তাই নয়, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন আসছে। আর সেই নির্বাচনের আগে ফের একবার সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা শাসকদল চালাচ্ছে বলে অভিযোগ।
এমনকি তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বন্দুক শেখানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতার দাবি, মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। পাখি মারার বন্দুক নিয়ে ছবি তুলেছিলেন পুকালু। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর করা হয়েছে বলেও দাবি ওই নেতার।
শুধু তাই নয়, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এই প্রসঙ্গে জানান, বিজেপি মিথ্যা রটনা করছে। তাঁদের পায়ের তলায় মাটি নেই বলেই এহেন মিথ্যা রটনা করা হচ্ছে বলেও দাবি। তবে যাকে বিতর্ক সেই তৃণমূল নেতার দাবি, পাখি মারার বন্দুক ছিল সেটা। এই সংক্রান্ত প্রমাণও রাখা আছে। কেউ দেখতে চাইলে তা দেখাতেও রাজি বলে জানিয়েছেন পুকালু খান।
তবে নেট মাধ্যমে ছবি দেওয়া নিয়ে তাঁর দাবি, একটা শখ ছিল। আর সেই কারনে ছবি দেওয়া। অন্যদিকে বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন ওই তৃণমূল নেতা। তাঁর দাবি, বিজেপি বন্দুক না চিনে মিথ্যা রটাচ্ছে তা ঠিক না। তবে এমন ঘটনা নতুন নয়। তৃণমূলের আমলে এর আগেও একাধিক নেতা-নেত্রীকে বন্দুক হাতে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবি দিতে দেখা গিয়েছে।
গত কয়েকদিন আগে পুরনো মালদহের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি'র একটি ছবি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সরকারি অফিসে বসে বন্দুক হাতে সেলফি তুলতে দেখা যায়। সেই সময়েও বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আর সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একবার একই ঘটনার পুনঃরাবৃত্তি।












Click it and Unblock the Notifications