সরকারি জমিতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে ঘর তৈরির অভিযোগ, উত্তরবঙ্গের জেলায় তীব্র দ্বন্দ্ব তৃণমূলের অন্দরে
সরকারি জমিতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘর তৈরির অভিযোগ, উত্তরবঙ্গের জেলায় তীব্র দ্বন্দ্ব তৃণমূলের অন্দরে
সরকারি জমিতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের (central scheme) টাকা ঘর তৈরিতে অভিযুক্ত তৃণমূল (trinamool congress) নেতা। যা নিয়ে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক অসন্তোষ। জানা গিয়েছে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির জেরে জেরে পুলিশ পৌঁছয় এলাকায়। ঘটনাটি মালদহের তুলসিহাটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

তৃণমূলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে
এক্ষেত্রে অভিযোগকারী তৃণমূল নিয়ন্ত্রিত পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আব্বাস আলি। এছাড়াও তার সঙ্গে রয়েছেন হরিশচন্দ্রপুরের তৃণমূলের হিন্দিভাষী সেলের সভাপতি রমেশ গুপ্তা। তাঁদের অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল নেতা সন্তোষ রায় রাস্তার পাশের সরকারি জমিতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকায় নির্মাণ কাজ চালাচ্ছিলেন। যা নিয়ে তারা ওই নেতাকে বাধা দেন বলে জানিয়েছেন। উপপ্রধান জানিয়েছেন, ওই নেতাকে আগেও বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এদিন তিনি পাল্টা হামলা করেন বলে অভিযোগ। সরকারি জমিতে নির্মাণ কাজ বৈধ নয় বলেও জানান তাঁরা।

হামলার অভিযোগ
পঞ্চায়েত উপপ্রধান এবং স্থানীয় তৃণমূলের নেতৃ্ত্বের একাংশ এদিন নির্মাণস্থলে গেলে বচসা শুরু হয়ে যায়। তাঁদের অভিযোগ, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা ও তাঁর সঙ্গীরা মারধর করেছেন। এদিকে গণ্ডগোলের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ যায়।

অভিযুক্ত নেতার দাবি
অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সন্তোষ রায় দাবি করেছেন, জমিটি তাঁর। ফলে তাঁর নির্মাণ বৈধ। তৃণমূলের নেতারা ইচ্ছাকৃতই তাঁর কাজে বাধা দিচ্ছেন। তাঁর আরও দাবি, বংশপরম্পরায় তাঁরা ওই জায়গায় রয়েছে। এব্যাপারে তিনি নিজের বাবা-কাকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, দুকাঠা জমি তাঁরই। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকায় ঘর বানাচ্ছেন। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃ্ত্বের যাঁরা তাঁর বাড়ি গিয়েছিলেন, তাঁদের ওপরে হামলার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।

তদন্ত পুলিশের
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে পুলিশ দুপক্ষের অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে। যে জমি নিয়ে অভিযোগ, তা সরকারি জমি কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারি জমি হলে, তাতে কীভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে সাহায্যে অনুমতি মিলল, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি কে এই নির্মাণের অনুমতি দিলেও তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications