নকশালবাড়িতে তৃণমূল - বিজেপি মিছিল মুখোমুখি, বনধের দিনে কী হল তারপর?
আরজি কর কাণ্ড নিয়ে গতকাল নবান্ন অভিযান করেছিল ছাত্র সমাজ। সেই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছিল বিজেপি। গতকাল বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আজ ১২ ঘণ্টার জন্য বাংলা বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে।
রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বনধে প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি বিজেপি - তৃণমূল দুই দলই রাস্তায় নেমেছে। এক দল বনধের পক্ষে প্রচার করছেন। অন্য দল বনধের বিরুদ্ধে মানুষের কাছে বার্তা পাঠাচ্ছেন। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতেই বিজেপির নেতা - কর্মীরা রাস্তায় নেমেছেন বনধের সমর্থনে।

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিংয়ে সাময়িক উত্তেজনা দেখা যায়। বিজেপির বিধায়ককে ঘিরে ধরে তৃণমূল কংগ্রেস। রীতিমতো শাসক - বিরোধী তরজা চলতে থাকে রাস্তার উপরেই। বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে চলে যায়। পরিস্থিতি কিছু সময়ের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিজেপি তৃণমূল একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে এই ঘটনায়।
বিজেপি ও তৃণমূলের মিছিল মুখোমুখি চলে আসে এদিন সকালে। উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয় নকশালবাড়িতে। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। একে অপরের প্রতি স্লোগান চলতে থাকে। শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ তোলে বিজেপি। পাল্টা রাজনীতির অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।
বিজেপি বিধায়ক দুর্গা মুর্মুকে 'গো ব্যাক' স্লোগান দেওয়া হয় তৃণমূলের তরফ থেকে। ফাঁসিদেওয়ার বিধাননগর এলাকায় বনধের সমর্থনে বিজেপি মিছিল শুরু করেছিল। বিধাননগর বাজারে গেলে বিজেপির সেই জমায়েতে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক। সেই সময় উত্তেজনার পরিস্থিতি দেখা যায়। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছে যায়।
তৃণমূল তাঁকে ঘেরাও করে রেখেছে। এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এই অভিযোগ তোলেন বিজেপি বিধায়ক। পাল্টা তৃণমূলের কটাক্ষ। বিজেপি বিধায়ককে ভোটে জেতার পর থেকে ওই এলাকায় দেখা যায়নি এখন শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করতে রাস্তায় নেমেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে চলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications