মালদহের জেলা পরিষদ কার- তৃণমূল না বিজেপির, ৮ জুলাই নিষ্পত্তি কি ভোটাভুটিতেই
মালদহের জেলা পরিষদ কার- তৃণমূল না বিজেপির, ৮ জুলাই নিষ্পত্তি কি ভোটাভুটিতেই
মালদহের জেলা পরিষদ কার, তা নিয়ে তরজার নিষ্পত্তি হয়নি এখনও। বহু বিতর্কের পর বিজেপির সভাধিপতির বিরুদ্ধে তৃণমূল অনাস্থা এনেছে। তাই আগামী ৮ জুলাই আস্থা ভোটেই ঠিক হবে কার হাতে উঠবে মালদহ জেলা পরিষদের ক্ষমতা। বিজেপি বনাম তৃণমূল ভোট যুদ্ধের আসর বসছে এবার মালদহে।

তৃণমূল কংগ্রেসের অনাস্থা প্রস্তাব
মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডলের অপসারণের দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস অনাস্থা প্রস্তাব আনে। তাঁরা মনে করছে, জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদ থেকে গৌরচন্দ্র মণ্ডলের অপসারণ স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। তবে বিজেপির পাল্টা দাবি, গৌরচন্দ্র মণ্ডলই সভাধিপতি থাকবেন। তৃণমূলের স্বপ্নপূরণ হবে না।

প্রয়োজনে ভোটাভুটি, তৈরি প্রশাসন
দীর্ঘদিন ধরই ঝুলছে মালদহ জেলা পরিষদের ভাগ্য। সম্প্রতি মালদহ জেলা প্রশাসনের তরফে জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্যদের কাছে একটি নোটিশ পাঠিয়েছে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় বসবে জেলা প্রশাসন। দু-জন অফিসার উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনে ভোটাভুটি হলে তাঁরা নির্বাচন পরিচালনা করবেন।

জেলা পরিষদ কার, বিতর্ক শুরু যোগদানে
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদ নিয়ে বিতর্ক শুকরু হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গৌরচন্দ্র জেলা পরিষদের সভাধিপতি হয়েছিলেন। তিনি নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন। তারপরই জেলা পরিষদ কার, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়ে যায়।

মালদহ জেলা পরিষদের ভোট-অঙ্ক
তৃণমূলের নির্বাচিত জেলা পরিষদ সভাধিপতি বিজেপির হয়ে মানিকচক থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ভোট মিটতেই তাঁকে সরাতে তৎপরতা শুরু হয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে। তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়। জেলা তৃণমূল দাবি করে, তাঁদের সঙ্গে ২৩ জন সদস্য রয়েছেন। আর ৩৭ সদস্যের জেলা পরিষদে ম্যাজিক ফিগার ১৯।












Click it and Unblock the Notifications