এবার মালদহের হাসপাতালে হামলা, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির অভিযোগ
চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ সরকারি হাসপাতালে। সেই নিয়ে চরম উত্তেজনা মালদহের মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি পর্যন্ত হয় মৃতের পরিবারের।
রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎস, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তার জোরালো দাবি তোলা হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে হামলার ঘটনাও ঘটছে। আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি৷ খুন ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ তো আছেই৷ পাশাপাশি হাসপাতালেও দুষ্কৃতীরা এসে ভাঙচুর চালিয়েছিল।

সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর বাড়ির আত্মীয়রা হামলা করে। মারধর করা হয়। এরপর রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএমেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ১০ দফা দাবিতে জুনিয়র চিকিৎসকরা আন্দোলন করছেন। হাসপাতালে তাঁদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা প্রয়োজন। এই দাবি তোলা হয়েছে।
এর মধ্যেই মালদহের মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে ফের হামলার ঘটনা ঘটল৷
যদিও পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা গিয়েছে, মালদহের মানিকচক থানার বড় বাগান এলাকার বাসিন্দা ছিলেন শফিকুল ইসলাম। পেশায় তিনি একজন টোটোচালক।
আজ বুধবার ভোররাতে সামান্য জ্বর নিয়ে তিনি হাসপাতালে যান। পরিবারের সদস্যরা তাকে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করান। অভিযোগ, ভর্তি করার পরও শফিকুল ইসলাম সুস্থ ছিল। কিন্তু তার কিছুক্ষণের মধ্যেই কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপরই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।
চিকিৎসকদের তেড়ে মারতে যায় পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতালে উপস্থিত পুলিশ কর্মী বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসক ও রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে হাসপাতালে।
কয়েক ঘন্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের পরিবারের সদস্যকে মেরে ফেলেছে।
তবে যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। এই বিষয়ে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications