ইটের ঘায়ে চুরমার হল রাহুল গান্ধীর গাড়ির কাচ! কোন ইঙ্গিত করলেন অধীর চৌধুরী?
বাংলায় রাহুল গান্ধীর গাড়ির কাঁচ ভাঙল! তাই নিয়ে শুরু হয়ে গেল রাজনৈতিক চাপানউতোর। মালদায় বুধবার রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা ছিল। সেখানেই এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার দেওয়ানগঞ্জের কাছে এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর।
রাহুল গান্ধীর গাড়ির পিছনের কাচ ভেঙে গিয়েছে। কেউ বা কারা ইট মেরেছে বলে অভিযোগ। তবে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সরাসরি কারোর বিরুদ্ধে মুখ খোলা হয়নি। রাহুলেরও কোনও চোট লাগেনি। এই কথা জানা গিয়েছে।

রাহুল গান্ধী এদিন বিহার থেকে মালদায় আসছিলেন গাড়িতে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার দেওয়ানগঞ্জের কাছে তিনি পৌঁছান। সেই সময় বহু মানুষ তাঁর গাড়ির উপর হামলে পড়েন বলে খবর। ওই গাড়ির পিছনের দিকের কাচ ভেঙে যায়। গাড়িতে তখন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অধীর চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। দুই নেতার কোনও ক্ষতি হয়নি বলে খবর।
কিন্তু কংগ্রেসের অন্দরে এই নিয়ে শুরু হয়ে যায় চাপানউতোড়। কারা এই হামলা চালাতে পারে, তা বুঝে নিতে বলেছেন অধীর চৌধুরী। তবে কোনও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করা হয়নি। কংগ্রেসের নেতা জয়রাম রমেশও এই বিষয়টি নিয়ে বিশেষ বক্তব্য রাখেননি।
স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব জানাচ্ছেন, শুরু থেকেই বাংলায় রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। প্রশাসনিক বাধা রয়েছে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে। সভা করতে গিয়েও বাধা পেতে হয়েছে। অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সরকার শুরু থেকেই অসহযোগিতা করছে। এমনই অভিযোগ স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বর৷
এই ঘটনা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ রাজনৈতিক মহলে। কারণ, কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় হামলার আশঙ্কা করা হয়েছিল। প্রশাসনিক স্তরে রাহুল গান্ধীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য আবেদন করা হয়েছিল চিঠিতে। তারপরেও এই ঘটনা ঘটল! কারা এই কাজ করেছে? তাই নিয়ে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে।
প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেছেন, "আমাদের গাড়ির উইন্ডশিল্ড ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু আমাদের যাত্রা বাধাগ্রস্ত হবে না। ইন্ডিয়া জোট মাথানত করবে না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছেন ভারত ব্লককে শক্তিশালী করাও তাঁর লক্ষ্য।"












Click it and Unblock the Notifications