লোকসভায় একেবারে ঢাকি-সহ বিসর্জন তৃণমূলকে, পঞ্চায়েতে তারই প্রস্তুতির বার্তা শুভেন্দুর
বিজেপির ভূত দেখতে শুরু করেছে তৃণমূল। বিজেপিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন করবে। আগামী বছর লোকসভা ভোটে একেবারে ঢাকি-সহ বিসর্জন দেওয়া হবে তৃণমূলকে। পঞ্চায়েতে তারই প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
মালদহের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী একহাত নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, পিসির ভাইপোই হল তৃণমূলের একমাত্র পরিচয়। তাই বিজেপি ওঁকে শুধু শুধু আক্রমণ করতে যাবে কেন? আমরা মশা মেরে হাত গন্ধ করতে চাই না।

শুভেন্দুর কথায়, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে মানুষ উল্টে দেবে। আর কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে তৃণমূল ভোট লুঠ করবে। আমাদের তাই তৈরি হতে হবে। পঞ্চায়েত এমন প্রতিরোধ গড়তে হবে, যেন তৃণমূল টের পেয়ে যায়।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে বুঝিয়ে দিতে হবে, ওদের দিন শেষ হয়ে এসেছে। লোকসভা নির্বাচনেই মানুষ একেবারে ঢাকি-সহ বিসর্জন দেবে ওদের। এদিন শুভেন্দু অধিকারী ব্যাটিং চালান আদিবাসী ভোট করায়ত্ত করতে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে আদিবাসী তোপ দাগেন তিনি।

শুভেন্দুর কথায়, দ্রৌপদী মুর্মুকে হারানোর জন্য কোমর বেঁধেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তাঁর জনজাতিদের প্রতি ভালোবাসার কথা না বলাই ভালো। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী দ্রৌপদী মুর্মু ভারতবর্ষের সর্বোচ্চ পদে বসেছেন। আর তাঁকে সেই সম্মান দিয়েছে বিজেপি। আদিবাসীদের সম্মান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শুধু দ্রৌপদী মুর্মুর কথাই নয়, বালুরঘাটে দলবদল করানোর জন্য তিনজন আদিবাসী যুবতীকে দণ্ডি কাটিয়েছে তৃণমূল। এসব কথা জনজাতিরা জানেন। তাঁরা ভোলেননি। তাই সময় এলেই মমতা বন্যোত পাধ্যায়ের সরকারকে জবাব দেবেন তাঁরা। আদিবাসীদের প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এই বঞ্চনা কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু।

এরপরই তিনি চ্যালেঞ্জ দেন। বলেন, ১২ জুন হবিবপুরে আসছি। ক্ষমতা থাকলে আমাকে আটকে দেখাক। বিজেপির জমায়েত হবে ওইদিন। ১৫ দিনের সময় দিয়ে গেলাম। সেখানে অর্ধেকেরও বেশি জনজাতিরা থাকবেন। জুয়েল মুর্মু, খগেন মুর্মুর নেতৃত্বে আদিবাসীরা ভিড় করবেন। সেদিন দেখিয়ে দেব আমাদের শক্তি।
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, আদিবাসীদের সঙ্গে কুর্মি সম্প্রদায়ের বিরোধ বাধাতে চাইছে বিজেপি। জাতি দাঙ্গা বাধানোই বিজেপির প্রধান লক্ষ্য। মণিপুরে জাতিদাঙ্গা বাধিয়েছে। সেকানে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তারপর বিজেপির আর দেখা নেই। এখন বাংলায় জাতিদাঙ্গা বাধাতে চাইছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications