আমি পেরেছি আপনারাও পারবেন, অনুব্রত-গড়ে ভোট-লুঠ রুখে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ডাক শুভেন্দুর
বীরভূম অনুব্রত মণ্ডলের নামে পরিচিত হবে না। বীরভূম পরিচিত হবে মা তারার নামে, কবিগুরুর নামে, বাউলশিল্পীদের নামে।
পঞ্চায়েতে ভোট-লুঠ রুখে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমরা কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে হবে। আমি পেরেছি। এবার আপনাদেরও পারতে হবে। পঞ্চায়েত ভোটে বীরভূমের মাটিতে পদ্ম ফোটাতে হবে। শনিবার অনুব্রত-গড় বীরভূমের ময়ুরেশ্বরে জনসভা করে পশ্চিমবঙ্গে ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়ার সংকল্প নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
পঞ্চায়েত ভোটের আগে অনুব্রত মণ্ডলের জেলায় জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুব্রত মণ্ডলকে নিশানা করে তিনি বলেন, যিনি বলতেন উন্নয়ন দাঁড়িয়ে আছেন, তিনি এখন কোথায়। তিনি এখন গরু পাচারের অভিযোগে জেলে। এবার চোর-লুঠেরাদের রুখে বীরভূমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বীরভূম অনুব্রত মণ্ডলের নামে পরিচিত হবে না। বীরভূম পরিচিত হবে মা তারার নামে, কবিগুরুর নামে, বাউলশিল্পীদের নামে।

অনুব্রত গড়ে দাঁড়িয়ে হুঙ্কার ছেড়ে শুভেন্দু বলেন, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে এই বীরভূমের মাটি থেকেই জয়ের পথে ফিরবে বিজেপি। বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে। আজ নয় কাল ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবেই। কেউ রুখতে পারবে না। আমি পিসিকে হারিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি। এরপর বাংলার মানুষ গ্রামের ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে রাজ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।
এতদিন মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোটে জিতেছে তৃণমূল। ২০১৮-র পুনরাবৃত্তি হবে না। এবার বাংলরা মানুষ জবাব দেবে। চোরেদের গণতান্ত্রিকভাবে হারিয়ে বাংলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তৃণমূলকে হারিয়ে বিজেপি গ্রামবাংলার এই পঞ্চায়েত ভোট থেকেই রাজ্যে সুশাসন আনার কাজ শুরু করবে। ময়ুরেশ্বরের জনসভা থেকে পরিবর্তনের ডাক দিলেন শুভেন্দু। গোটা বীরভূমের মানুষ এক হয়েছে। এবার পরিবর্তন আসবেই।
শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, কান টানলেই মাথা আসবে। জিট্টি ভাইয়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সদস্যা তথা কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরের যৌথ প্রোপার্টি সামনে এসেছে। আবার ইডি দিল্লি থেকে তলব করছে জিট্টি ভাইকে। এখন ছোটো ছোটো মোরলা, পুঁটিরা ধরা পড়েছে। এরপর চট জাল দিয়ে গোটা বংশটা ভিতরে চলে যাবে। পিসি যাবে, ভাইপো যাবে, ভাইপোর বউ যাবে, ভাইপোর শ্যালিকা যাবে, ভাইপোর মা, বাবা যাবে, পিসির ভাই যাবে- গোটা বংশটাই চলে যাবে।
শুভেন্দু এদিন অভিষেককে কটাক্ষ করে বলেন, আগে এক মাস বাড়ি থেকে না বেরিয়ে জাতীয় সঙ্গীত ভালো করে মুখস্থ করতে। আজ মাথাভাঙায় জাতীয় সঙ্গীত ভুলভাল গেয়েছে। আগে জাতীয় সঙ্গীত ভালো করে শিখে তারপর রাজনীতি নিয়ে কথা বলুক। শুভেন্দু আরও বলেন, ভাইপোর একটাই পরিচয় ও পিসির ভাইপো। আর কোনও পরিচয় নেই। পিসিকে হারানো লোক আমি, ওসব এলিথেলির কথার উত্তর দিই না। কুণাল ঘোষকেও একহাত নেন শুভেন্দু।












Click it and Unblock the Notifications