ঝড় বিধ্বস্ত এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, বললেন রাজ্যপাল বোস
জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের একাধিক জায়গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে টর্নেডো। জলপাইগুড়িতে পাঁচ জন মানুষ মারা গিয়েছেন। মঙ্গলবারও ওইসব এলাকায় ধ্বংসলীলার ছবি ছড়িয়েছিটিয়ে রয়েছে। ত্রাণ নিয়েও মাঝেমধ্যে ক্ষোভ দেখা দিচ্ছে বলে খবর।
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এ দিন বলেছেন,
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রশাসনের সমস্ত দফতর কাজ করেছে। যা যা দরকার ছিল তা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো অনুযায়ী উদ্ধার কাজ হয়েছে।

রাজ্যপাল এদিন বাগডোগরা বিমান বন্দরে পৌঁছান। উত্তরবঙ্গ থেকে ফেরার বিমান ধরেন তিনি৷ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস আরও বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থলে রয়েছেন। আমি নিজেই ছিলাম। একসঙ্গে কাজ করে মানুষের সেবা প্রদান করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মানুষ চিন্তা করবে প্রশাসনের উদ্যোগে তারা খুশি কী না। দুর্গতদের সহায়তা নিয়ে আগেই চিন্তা করেছি। নির্বাচন থাকাকালীন অন্যান্য সহযোগিতা করা হচ্ছে।"
পাশাপাশি গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বহিষ্কারের ঘটনায় তিনি বলেন বিশ্ব বিদ্যালয় স্বাভাবিক গতিতে চলছে। রাজ্যের কোনও হস্তক্ষেপ করার দরকার নেই। রাজ্য সরকারের কোনও কাজ না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে লিপ্ত হচ্ছে। এটা আমার বক্তব্য নয়। এটি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে। এমনই কটাক্ষ করলেন রাজ্যপাল।
সামনেই লোকসভা ভোট। এদিকে উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে রাজনৈতিক হিংসা শুরু হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য জায়গাতেও ছোটখাটো গণ্ডগোল হচ্ছে। তাহলে কি এবারও রাজ্যে ভোট হিংসা দেখা যাবে? সেই প্রশ্ন উঠছে। রাজ্যপাল এদিন বলেন, রাজ্যে হিংসা ছাড়া ভোট সম্ভব। হিংসাকে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এটা প্রতিশ্রুতি নয়, এটা অঙ্গীকার।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গে থেকে গিয়েছেন। ৪ এপ্রিল থেকে তাঁর প্রচার সভা রয়েছে উত্তরবঙ্গে। এদিন বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চার্চে গিয়েছিলেন। উত্তরবঙ্গে ঝড়ে পাঁচ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। চালসার চার্চে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications