Firing In Islampur: ভোট পরবর্তী হিংসায় রণক্ষেত্র ইসলামপুর, গুলিবিদ্ধ ১৪
Firing In Islampur: ভোট পরবর্তী হিংসায় একেবারে রণক্ষেত্র ইসলামপুর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলল এলোপাথাড়ি গুলি। আর তাতে অন্তত ১৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। কীভাবে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকে উত্তপ্ত উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া। দফায় দফায় হিংসার ঘটনার সাক্ষী থেকেছে বাংলার মানুষ। এমনকি সে জেলায় মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে।

এমনকি ভোট মেটার পরেও বারবার উত্তপ্ত হয়ে উঠে চোপড়া। আর এর মধ্যেই আজ মঙ্গলবার একেবারে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে চোপড়া বিধানসভার অধীন ইসলামপুর ব্লকের সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েত। তৃণমূল দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয় বলে খবর।
আর তা থেকেই দু'দলের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। শুধু তাই নয়, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলোপাথাড়ি গুলি চলে বলেও অভিযোগ। আর তাতেই অন্তত ১৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়। যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুলিবিদ্ধদের ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আনা হয়েছে।
সেখানেই তাদের চিকিৎসা চলছে বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। গিয়েছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও।
এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধরা সবাই জেলা পরিষদের বিজয়ী তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমী খাতুনের স্বামী জাহিদুল হক অনুগামী বলে জানা যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, কমলাগাও সুজালির অঞ্চল তৃনমূল সভাপতি আব্দুল হক অনুগামীরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এলাকা দখল করতেই গোলাগুলি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে সুজালির অঞ্চল তৃনমূল সভাপতি আব্দুল হক এই মুহুর্তে ঘটনার বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। তবে এই ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। কড়া ভাষায় তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের কারনেই এই ঘটনা বলেও দাবি বিজেপির। ঘটনায় তৃণমূলের তরফে কোনও মন্তব্য না পাওয়া গেলেও রীতিমত ঘটনায় অস্বস্তিতে শাসকদল।












Click it and Unblock the Notifications