আলিপুরদুয়ারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ, জন সংযোগে উপস্থিত জেলাশাসক, পুলিশ সুপারও
ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে জোর কদমে। ১৯ এপ্রিল থেকে বাংলাতেও ভোট শুরু। প্রথম দফায় কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুর দুয়ারে ভোট হবে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছে পশ্চিমবঙ্গে। রবিবার আলিপুরদুয়ারের একাধিক জায়গায় সকালেই টহল দিতে দেখা গেল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এই রুট মার্চে সহযোগী হলেন আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার।
ভোটদানের প্রতি মানুষের আস্থা অর্জনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে আলিপুরদুয়ারের ডিএম, এসপির রুট মার্চ। ছিলেন কেন্দ্রীয় ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশের কমান্ডার। আলিপুরদুয়ার-১ নং ব্লকের পররপার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিরপাড়ায় রুট মার্চ করা হয়।

সেখানেই জেলাশাসক আর ভিমলা এবং এসপি ওয়াই রঘুবংশি উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কমান্ডার ও বাহিনীর সঙ্গে তাঁরাও রুট মার্চে যোগ দিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন বাহিনীর কমান্ডার। জেলাশাসক, পুলিশ সুপারও এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন৷
সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করা হয়। পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাসের কথা বারবার উঠে এসেছে। বিরোধীরা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে লাগামছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে অতীতের নির্বাচন গুলিতে। লোকসভা ভোট সামনেই। যাতে কোনওরকম হিংসা না ছড়ায়। সেদিকে এখন থেকেই নজর দেওয়া হচ্ছে।
সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন। সাধারণ মানুষের যাতে কোনও। ভয়-ভীতি না থাকে সেই বার্তা বাহিনীর তরফ থেকে দেওয়া হচ্ছে। জেলাশাসক পুলিশ সুপারও সেই বার্তা দিয়েছেন সাধারণ মানুষকে।
এবার লোকসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্য রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। ভোটে কোনও রকম হিংসা, রক্তপাত না হয়, সেই দিকে জোর দিতে বলা হয়েছে। কঠোর নিয়ম ও নজরদারি থাকবে। সেই লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন। বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা যাতে আরও বাড়ে। সেজন্য চলছে জন সংযোগ।












Click it and Unblock the Notifications