Panchayat Election 2023: বিজেপির প্রতীক না পেয়ে সদলবলে তৃণমূলে, নির্দল প্রার্থীরও মনোনয়ন প্রত্যাহার
বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন, কিন্তু দলীয় প্রতীক পাননি। তাই শেষমেশ চরম সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেললেন বিজেপি প্রার্থী। প্রতীক না পেয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে সদলবলে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন তিনি। এই ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে।
বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যোগদান ও পাল্টা যোগদান হয়েই চলছেই। এক দলে স্বার্থ চরিতার্থ না হলেই অন্য দলের শরাণাপন্ন হওয়া। এই খেলা লেগেই রয়েছে। এই রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল ও প্রধান বিরোধী দলে এই প্রবণতা সবথেকে বেশি। তেমনই একটি ঘটনা ঘটল।

তবে জলপাইগুড়িতে যখন বিজেপি প্রার্থী দলীয় প্রতীক না পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন, তখন আবার ভিন্ন চিত্র দেখা গেল মুর্শিদাবাদের নওদায়। নওদায় তৃণমূলে টিকিট না পেয়ে নির্দল প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি শেষদিনে তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নেন।
মঙ্গলবার সকালে ধূপগুড়ি ব্লকের ঝাড় আলতা ১ নম্বর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের ১৫/৬১ নম্বর বুথে প্রায় পঞ্চাশ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই দলবদলের নেপথ্যে ছিল বিজেপি প্রার্থীর দলীয় প্রতীক না পাওয়া। তিনি প্রতীক না পেয়ে সদলবলে যোগ দেন তৃণমূলে।
১৫/৬১ নম্বর বুথে মমতা অধিকারী বিজেপির হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে তাঁকে প্রতীক দেওয়া হয়নি। এরপর দলের প্রতি বিরাগভাজন হয়ে মঙ্গলবার সকালে তিনি প্রায় ৩০ জনকে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।
পাশাপাশি সন্তোষ রায়ের নেতৃত্বে ১০ জন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। উল্লেখ্য সন্তোষ রায় জন্মলগ্ন থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস করতেন। কিন্তু কয়েক বছর আগে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। এদিন তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি সফিকুল ইসলাম।

বিজেপির দুই নেতা-নেত্রীসহ প্রায় ৪০ জনের যোগদানে খুশির হাওয়া তৃণমূলে। এদিনের যোগদানের পর তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি সফিকুল ইসলাম বলেন, এখন এই বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। তঁরা আশাবাদী বিজেপিকে হারিয়ে তাঁরা এবার জয়ধ্বজা তুলবেন।
আর মুর্শিদাবাদের নওদায় তৃণমূলের কংগ্রেসের টিকিট না পেয়ে নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন নাজমিন খাতুন। নাজমিন নওদা পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার তিনি বিধায়ক মায়ের সঙ্গে বিডিও অফিসে এসে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।
ফলে মুর্শিদাবাদের নওদার এই কেন্দ্রে তৃণমূলের কাঁটা দূর হল জয়ের পথে। তবে অন্যদিকে তৃণমূলে অস্বস্তি বাড়িয়ে চলেছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দলের জেলা সভানেত্রী ও চেয়াম্যানকে অপসারণের হুমকির চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি নির্দল প্রার্থীদের ভোটে জেতানোর আহ্বান জানান।












Click it and Unblock the Notifications