Panchayat Election 2023: বাংলার ১০ লক্ষ মানুষকে নিয়ে দিল্লিতে আন্দোলন, আলিপুরদুয়ারে হুঙ্কার অভিষেকের
পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে গিয়ে দিল্লির বুক থেকে ন্যাহ্য দাবি আদায় করে আনার বার্তা দিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে তিনি বাংলার জন্য দাবি আদায়ে দিল্লিতে আন্দোলন গড়ে তোলার বার্তা দিলেন।
আলিপুরদুয়ারকে এবার বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল। আলিপুরদুয়ারের হালহকিকৎ সে অর্থে সুবিধার নয়। বিভিন্ন সমীক্ষায় এই জেলা পরিষদ হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। তৃণমূল থেকে আলিপুরদুয়ারের ক্ষমতা কেড়ে নিতে পারে বিজেপি। তাই ডুয়ার্সের এই জেলায় গিয়ে অভিষেক গুরুত্ব দিলেন মানুষের প্রাপ্তি নিয়েই।

অভিষেক বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের পর দিল্লির বুকে লড়াই করে আন্দোলন সংগঠিত করে একশো দিনের কাজের টাকা ছিনিয়ে আনবো আমরা। আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা পাঁচমাইলে নির্বাচনী জনসভায় এসে একথা স্পষ্ট করে জানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন পাঁচমাইলে নির্বাচনী জনসভায় প্রায় চল্লিশ মিনিট ভাষণ দেন অভিষেক। তাঁর ভাষণের সিংহভাগ জুড়ে ছিল বাংলার মানুষের প্রতি দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার কথা। এদিন অভিষেক নিজের ভাষণে একশো দিনের কাজের টাকা নিয়ে বেশি সরব হন। কেন্দ্রের সরকার যে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করছে, তা তুলে ধরেন।

অভিষেক আরো জানান, বাংলায় হেরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বাংলার মানুষকে হাতে না মেরে ভাতে মারার চেষ্টা করছে। তাই একশো দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে, আবাস যোজনার টাকা আটকে রেখেছে। বাংলার মানুষকে এই ভাতে মারবার চেষ্টা কিছুতেই সহ্য করব না আমরা।
অভিষেক বলেন, ভোটের পরই বাংলা থেকে দশ লক্ষ মানুষকে দিল্লিতে নিয়ে আন্দোলন সংগঠিত করব আমরা। যতক্ষণ না দাবি আদায় হয়, সেই আন্দোলন চলবে। এদিন অভিষেক নিজের ভাষণে রাজ্যত সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের কথায়, বিধানসভা ভোটে আলিপুরদুয়ার জেলায় হেরেছিল তৃণমূল। তবু এই জেলা থেকে রাজ্যেভর মা-মাটি-মানুষের সরকার মুখ ফিরিয়ে নেয়নি। তৃণমূল সরকার এই জেলার জন্য অনেক কাজ করেছে। মানুষকে জনকল্যাণমূলক সমস্ত পরিষেবা দিয়েছে। তাই আমাদের বিশ্বাস আলিপুরদুয়ারের মানুষ এবার অন্তত আমাদের নিরাশ করবেন না।
এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, চা শিল্পের শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে আমরা আন্দোলন সংঘটিত করেছি। চা সুন্দরী প্রকল্প চালু হয়েছে। চা শ্রমিকদের জমির পাট্টা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। বন্ধ চা বাগান খোলা হয়েছে। এদিন তিনি আবার স্পষ্ট করে দেন, যাংরা নির্দল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁদের দলে নেওয়া হবে না।












Click it and Unblock the Notifications