North Bengal: প্রবল বৃষ্টি, চোখে সামনে তিস্তা গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে শিলিগুড়ির কাছে থাকা আস্ত একটা গ্রাম
North Bengal: ভারী বৃষ্টিতে তিস্তা গর্ভে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে শিলিগুড়ির অদূরে চমকডাঙি গ্রাম। আর এহেন ভয়ঙ্কর অবস্থায় ঘর ছাড়া হতে হল প্রায় ৮০টি পরিবারকে। বর্তমানে তাদের স্থায়ী ঠিকানা কমিউনিটি হল। চোখের সামনে সমস্ত কিছু ভেসে যেতে দেখে চোখের জল বাঁধ ভাঙছে ।
বিশেষ করে উৎসবের মরশুমে মাথায় হাত পরিবারের। পরিস্থিতির উপর যদিও নজর রাখছে স্থানীয় প্রশাসন। বিগত কয়েকদিন ধরে পাহাড় ও সমতলে লাগাতার বৃষ্টি পাতের ফলে তিস্তা নদী সহ জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে উত্তরবঙ্গের সমস্ত নদী গুলিতেই। ফলে ভাঙনও শুরু হয়েছে ব্যাপক (North Bengal) ।

শিলিগুড়ির অদূরে চমক ডাঙ্গী গ্রাম সংলগ্ন এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে তিস্তা নদী। গ্রামে ঢোকার মূল রাস্তা গত কয়েকদিন আগেই তিস্তা নদীর গ্রাসে চলে গিয়েছে। ধীরে ধীরে সেই ভাঙন এখন গ্রাস করতে চলেছে গোটা গ্রামটিকে।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেচ দফতরকে ভাঙন শুরু হওয়ার আগেই বিষয়টি জানিয়ে এসেছেন তারা। সেচ দফতর থেকে পরিদর্শনও করে গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। কিন্তু অভিযোগ, সময় মত কাজ শুরু না করায় ভাঙনের মুখে পড়তে হল বাসিন্দাদের। ফলে ঘর ছাড়া হতে হল তাদের। বুধবার রাতে ভাঙন বেড়ে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তারপরই শেষ সম্বল বাঁচাতে নিজেরাই তাদের ঘরবাড়ী ছেড়ে সরে যাচ্ছেন নিরাপদ স্থানে।
বাড়ির বয়স্ক ও বাচ্চাদের স্থান হয়েছে কমিউনিটি হলে। তারা আশঙ্কা করছেন ভাঙন যে ভাবে বাড়ছে তাতে রাতের মধ্যে পুরো গ্রামটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে গ্রামটিতে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ভক্তিনগর থানা থেকে খাবার ও ত্রিপল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সেচদফতরও ভাঙন রোধে কাজ শুরু করেছে। তবে রিতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। গ্রামবাসীরা মর্মাহত হয়ে দাবি করেন, সঠিক সময়ে কাজ শুরু করলে আজ তাদের এই দুরবস্থার মধ্যে পড়তে হত না। পরিবার নিয়ে রিতিমত অথৈ জলে চমকডাঙ্গী গ্রামের ৮০টি পরিবার।
এর মধ্যে ফের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে। দার্জিলিং সহ একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না কেউই।












Click it and Unblock the Notifications