হাসপাতালে 'দাদাগিরি' তৃণমূল নেতার! নার্স-ডাক্তারদের মারধর, দেওয়া হল প্রাণনাশের হুমকিও
North Bengal Hospital: হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ঢুকে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি। আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। আর এর মধ্যেই হাসপাতালে ঢুকে দাদাগিরির অভিযোগ। কর্তব্যরত ডাক্তার এবং নার্সদের হুমকি এবং মারধরের অভিযোগ। অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতার অবিনাশ দাস বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
যদিও ঘটনার পরেই অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী নার্স। হাসপাতালে সিভিক ভলেন্টিয়ার থাকলেও ঘটনার সময় কেউ এগিয়ে আসেনি। এমনকি বারবার ডেকেও সাড়া কারোর খোঁজ পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ।

জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত মহেন্দ্রপুর গ্রামের শাসক দলের নেতা অবিনাশ দাসের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পরেন। হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার রাতে ওই তৃণমুল নেতা হাসপাতালের ঢুকে সেখানকার নার্সদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করে বলে অভিযোগ। এমনকি জরুরি বিভাগে ঢুকেও কর্তব্যরত নার্স ও চিকিৎসকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণে মারার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ।
অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা গায়েও হাত তোলেন বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন হাসপাতালের কর্মী এবং স্থানীয় কয়েকজন। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত ওই ওই তৃণমুল নেতাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়। কিন্তু সেই সময় হাসপাতালে কর্তব্যরত সিভিক থাকলেও কাউকে দেখা জায়নি বলে অভিযোগ।
চিকিৎসক প্রভাকর সাহা জানান, আমরা সবাই সেই সময় হাসপাতালে ডিউটিতে ছিলাম। কোন একজন হঠাৎ করেই চড়াও হন। বিষয়টিতে বাঁধা দিলে নার্সদের উপর ওই ব্যক্তি হামলা করে বলে অভিযোগ। এমনকি আমার ওপরেও হামলা চলে দাবি প্রভাকরবাবুর। নার্সরা আটকাতে গেলে তাদেরকে ফিজিক্যালি অ্যাটাক করা হয়। এমনকি প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওই চিকিৎসকের। ঘটনার পর থেকেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আরজি করের ঘটনা নিয়ে উত্তাল সাড়া বাংলা। এর মধ্যেই এই ঘটনায় হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে?
যদিও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা বলা হিওয়েছে প্রশাসনের তরফে। ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা সঞ্জীব গুপ্তা বলেন, চিকিৎসকদের উপর আক্রমণের ঘটনা খুব লজ্জাজনক। তবে এই ঘটনা যে বা যারা ঘটাচ্ছে প্রশাসনের কাছে বলব তাদের বিরুদ্ধে আইন ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। তবে আমার জানা নাই সে তৃণমূল করে কি না। যে দলেরই হোক না কেন যদি তৃণমূলের হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দল পাশে কখনই থাকবে না বলে দাবি সঞ্জীববাবুর।












Click it and Unblock the Notifications