Mamata Banerjee: একাধিক অভিযোগ, সমস্ত উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠনের ঘোষণা! সঙ্গে কর্মসংস্থানেও দিশা মমতার

Mamata Banerjee: তিনদিনের দার্জিলিং সফরে এসে পাহাড়বাসীদের কর্মসংস্থানের দিশা দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তরুণ প্রজন্মকে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তুলতে সরকারিভাবে ৪টি স্কিল ডেভলপমেন্ট সেন্টার চালু করা হবে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার দার্জিলিংয়ে জিটিএ-র পাশাপাশি কালিম্পং এবং দার্জিলিং জেলা প্রশাসনেরসঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।

উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানরাও। যেখানে একাধিক ইস্যুতে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আরও জানান, সমস্ত উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠন করা হবে।

Mamata Banerjee

একই সঙ্গে সমস্ত বোর্ডের অডিট, প্রকল্পের অগ্রগতির উপর নজরদারির জন্য 'মনিটরিং সেল' তৈরি করা হবে বলেও জানান প্রশাসনিক প্রধান। আর তাতে জিটিএ-র চিফ এগ্‌জ়িকিউটিভ অনিত থাপাকে চেয়ারম্যান করা হবে বলে সিদ্ধান্ত।

পাশাপাশি মিরিক পুরসভার প্রশাসক তথা হিল তৃণমূলের চেয়ারম্যান এলবি রাইকে ভাইস চেয়ারম্যান এবং দুই জেলার জেলাশাসককেও মনিটারিং সেলে রাখা হবে বলেও এদিন ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়ের উন্নয়ন নিয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এমনকি উন্নয়ন বোর্ড নিয়েও রয়েছে একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ। এই বিষয়ে জিটিএ চেয়ারম্যান সহ জেলা প্রশাসনের কাছে একগুচ্ছ অভিযোগ রয়েছে। যা টের পেয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও।

আর সেখানে দাঁড়িয়ে এদিনের মুখ্যমন্ত্রীর এই বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করা হচ্ছে। এমনকি নতুনভাবে সমস্ত উন্নয়ন বোর্ড পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ বলেই খবর। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুনর্নির্মাণ করা হবে ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের। এই বিষয়ে জিটিএ'র চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের সদস্যদের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। দেড় মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে বলেও এদিন জানিয়েছেন প্রশাসনিক প্রধান। শুধু তাই নয়, কাজের সুবিধার জন্য মনিটারিং সেল বলেও এদিন জানিয়েছেন তিনি।

এছাড়াও চা বাগানের আরও শ্রমিকদের জমির পাট্টা দেওয়ার আশ্বাস দেন। জিটিএ চিফ এক্সিকিউটিভ অনিত থামা মুখ্যমন্ত্রীর সামনে পাহাড়বাসীদের রাজ্য সরকারের পাহাড়ের জন্য করা উন্নয়নগুলি তুলে ধরেন। পাশাপাশি তিনি মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। বলে রাখা প্রয়োজন, গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে উত্তাল হয় পাহাড়। সেই সময় জিটিএ বোর্ড ছিল না। কিন্তু পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য পৃথক বোর্ড গঠন করা হয়।

এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সেই সময় সব মিলিয়ে ১৬টি উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডগুলির জন্য প্রতি বছর ২ কোটি টাকা করে বরাদ্দ করা হত।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+