বিহার থেকে লোক এনে অশান্তি করা হচ্ছে, কালিয়াগঞ্জের ঘটনায় ডিজিকে ভর্ৎসনা করে কী নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
বিহার থেকে লোক এনে কালিয়াগঞ্জে অশান্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনা করে রাজ্যকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কালিয়াগঞ্জের ঘটনার নেপথ্যে পরিকল্পিত পরিকল্পনা রয়েছে । এমনই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কালিয়াগঞ্জের ঘটনা নিয়ে বুধবার রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাজ্য পুলিশের ডিজিকে প্রশ্ন করেন, 'এত বড় অশান্তি হতে পারে তা আগে গোয়েন্দারা খবর পায়নি কেন? কেন পুলিশ সক্রিয় ছিল না? পুলিশ কি হাতে বালা পড়ে রয়েছে? পুলিশের গায়ে যদি কেউ হাত তোলে তাহলে মানুষের নিরাপত্তা কোথায় ? লাঠি না চালিয়েও পরিস্থিতি শান্ত করা যায়।'

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কালিয়াগঞ্জে নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গতকাল বিকেল থেকে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এলাকা। রাজবংশী এবং আদিবাসীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন। কালিয়াগঞ্জ থানায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। থানায় ভাঙচুর হামলা চালানো হয়। এমনকী পুলিশকে মারধরও করা হয়। তারপরেই কালিয়াগঞ্জের চারটি ওয়ার্ডে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

পুরো ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বিেজপি। মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করেছেন কালিয়াগঞ্জে বিহার থেকে লোক এনে অশান্তি করা হয়েছে। সেকারণেই যে ঘটনা ঘটেনিসেই ঘটনা ঘটেছে দাবি করে এতোদিন ধরে অশান্তি রয়েছে। মৃতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্ষণ করে খুন বলে যা দাবি করা হয়েছে তা ঘটনি। এই নিয়ে আগেও পুলিশ জানিয়েছে।
ময়নাতদন্তেও ধর্ষণ করে খুনের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। দেহে বিষ পাওয়া গিয়েছিল। তারপরেই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তের সঙ্গে নাবালিকার সম্পর্ক ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানিয়েছেন পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে মোবাইলের হোয়াটস অ্যাপ চ্যাট পুলিশ হাতে পেয়েছে। সেটা দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে পুরো ঘটনা।
এদিকে কালিয়াগঞ্জে পুলিশকে মারধর এবং থানায় আগুন লাগানোর ঘটনা যাঁরা ঘটিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন বিহার থেকে লোক এনে বিজেপি চক্রান্ত করে অশান্তি পাকাচ্ছে বাংলায়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই স ময় উত্তরবঙ্গ সফরেই রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ পর্যন্ত জনসংযোগ যাত্রা করছেন তিনি। তাঁর উত্তরবঙ্গ সফরকালীন সময়ে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications