দিল্লির লাড্ডু আর খাবেন না, ১০ বছর অশান্তি নয় শুধু চাই কাজ! পাহাড়ে কথা আদায় মমতার

পাহাড় হাসছে, পর্যটক আসছে! দিল্লির লাড্ডু আর খাবেন না, পাহাড়বাসীকে বার্তা মমতার

দিল্লির লাড্ডু চায় না পাহাড়। পাহাড় চায় দার্জিলিং, কালিম্পং ও কার্শিয়াংয়ের লাড্ডু। এখানে সব রয়েছে। তাই আপনারা কারও পাতা ফাঁতে পা দেবেন না। অনেকে ভোটের সময় আসে, প্রতিশ্রুতি দিয়ে যায়, কিন্তু কিছুই করে না। দিল্লিতে একটা সরকার আছে, মানুষের কথা ভাবে না। শুধু দাম বাড়াচ্ছে আর আগুন জ্বালাচ্ছে। বিজেপির নাম না করেই তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্যোগুপাধ্যায়।

পাহাড় হাসছে, পর্যটক আসছে! দিল্লির লাড্ডু আর খাবেন না, পাহাড়বাসীকে বার্তা মমতার

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দার্জিলংয়ের প্রশাসনিক সভায় বলেন, পাহাড়ের হাসি মুখ দেখতে চান তিনি। পাহাড়া আবার হাসছে। করোনার অন্ধকার সরিয়ে দার্জিলিং আবার হাসছে। আবার পর্যটকরা আসছেন। আর ঝলমল করছে পাহাড়। আপনাদের সব আছে, কেন তবে অপরের মুখাপেক্ষী থাকবেন। ভোটের সময় এসে অনেকে অনেক কথা বলে যাবে। বিশ্বাস করবেন না ওঁদের।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ের প্রশাসনিক সভা থেকে বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ওঁরা বাংলাকে ভালোবাসে না। তাই ওঁদের ভালোবাসবেন না। আপনারা পাহাড়কে ভালোবাসুন, তাহলেই কাঞ্চনজঙ্ঘার মতো রোশনি ফুটে উঠবে আপনাদের মুখে। তিনি পাহাড়বাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু ১০টা বছর কোনও অশান্তি না করে কাজ করে দেখুন, পাহাড় আমুল বদলে গিয়েছে। আর কারও মুখাপেক্ষা হয়ে থাকতে হবে না। পাহাড়াই আপনাদের উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেবে।

মমতা বলেন, করোনার ভয়াবহতা কাটিয়ে পাহাড় আবার জেগে উঠেছে। এখন পর্যটকে ভর্তি পাহাড়ের হোটেল। পাহাড়ে আবার ভিড় বাড়ছে। আবার ব্যবসা-বাণিজ্য জাঁকিয়ে বসছে। তাই পাহাড়ের উন্নতি কেউ আটকে রাখতে পারবে না। শীঘ্রই জিটি নির্বাচন হবে। তারপর পাহাড়ের বাকি তিন পুরসভ ও পঞ্চায়েক নির্বাচনও হবে। মানুষের জন্য কাজ হবে। পাহাড়ের উন্নয়ন হবে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিনের সভা থেকে বলেন, এখন পর্যন্ত ৩ লক্ষ ৮০ হাজার চা শ্রমিককে বাড়ি দেওয়া হয়েছে। এখন আমরা পাট্টা দেওয়া শুরু করেছি। সকলকে জমির পাট্টা দেওয়া হবে। সামাজিক উন্নয়নমূলক যাবতীয় প্রকল্পের সুবিধা আপনারা ঘরে বসেই পাবেন। একটা বাড়ি ভালো থাকে মহিলারা সুখী থাকলে, তাই মহিলাদের সুখী রাখতে হবে। সেই কাজে সচেষ্ট তাঁর সরকার।

মমতা বলেন, রাজ্য সরকারের তরফে প্রতি মাসে ৭২ লক্ষ মানুষকে পেনশন দেওয়া হয়। জয় জহর, তপশিলি বন্ধু প্রকল্পে পেনশন দেওয়া হয়। এই সামগ্রিক পেনশন প্রকল্পটির নাম জয় বাংলা দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম জন পরিষেবা এই পেনশন প্রকল্প। রাজ্যে মোট ২১ লক্ষ বিধবা ভাতা দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ১ কোটি ৭৫ লক্ষ মহিলাকে সাম্মানিক দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, সব উদ্বাস্তু কলোনিকে অনুমোদন দেওয়া হবে। পাহাড় সফরে গিয়ে তিনি পাট্টা বিলি করবেন। সেই কাজ শুরু করে দিলেন তিনি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+