বন্যায় ডুবে গিয়েছে মালদহের ভূতনি থানার একতলা, নৌকাই ভরসা পুলিশের
যেদিকে তাকানো যায়, চারদিকে শুধু জল আর জল। তিন সপ্তাহের বেশি এই পরিস্থিতি। গঙ্গার জলে মালদহের গোটা ভূতনি এলাকা বানভাসি হয়েছে। থানাতেও জল ঢুকে গিয়েছে। ডুবে গিয়েছে থানার একতলা। পুলিশ কর্মীদের এখন নৌকাই ভরসা।
যাতায়াতের জন্য নৌকাই এখন একমাত্র ভরসা ভূতনি থানার পুলিশের। থানায় একাধিক পুলিশের গাড়ি রয়েছে। কিন্তু কাজে আসছে না আর সেই গাড়ি। জলের মধ্যে তো আর গাড়ি চালানোর উপায় নেই। নৌকাতে চেপেই এলাকায় টহলদারি চালিয়ে যাচ্ছেন পুলিশ কর্মীরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করছেন ভূতনি থানার পুলিশ কর্মীরা। কখনও আবার পুলিশ কর্মীরা এক বুক জল ভেঙেই থানার মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ করছেন। এমনই ছবি ধরা পড়েছে মালদহতে কালিয়াচকের ভূতনি থানার। বন্যা পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে গোটা ভূতনি এলাকা জলমগ্ন। থানা চত্বরেও প্রায় এক মানুষ সমান জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। এক তলায় থানার কোনও কাজকর্মই করার অবস্থা নেই। উপরতলায় থানার প্রয়োজনীয় জিনিস, কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তাই গাড়ির পরিবর্তে নৌকায় ভরসা পুলিশ কর্মীদের। ভূতনিতে বাঁধ ভেঙে এই বন্যা হয়েছে। এই পরিস্থিতিত তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলছে। এই প্রায় দুই লক্ষ বাসিন্দা জলবন্দি। ভূতনি বাসিন্দাদের পাশাপাশি জনবন্দি হয়ে রয়েছেন থানার পুলিশ কর্মী আধিকারিকরাও।
ভূতনি থানার একতলা জলবন্দি হয়ে পড়েছে। চার দিকে কালো ঘোলা জল থইথই করছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। বাসিন্দাদেরও সাহায্য করতে হবে। ফলে থানাতেই রয়েছেন পুলিশ কর্তারা। পাশেই একটি অস্থায়ী শিবির করা হয়েছে। নজরদারির জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে নৌকা।
থানার বাইরে গাড়ির বদলে সবসময় দাঁড়িয়ে রয়েছে নৌকা। নৌকার মাধ্যমেই চলছে যাতায়াত। ভূতনি থানার কর্মরত অফিসার বলেন," যে কোনও পরিস্থিতিতে পরিষেবা দিতে বদ্ধপরিকর। নৌকার মাধ্যমে যাতায়াত করছি জল পেরিয়ে। নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে।" জল কমছে বলে খবর। খুব দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এমনই আশা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications