Kaliachak: তৃণমূল কর্মী খুনে গ্রেফতার দলেরই কর্মী! পুলিশের জালে মূল অভিযুক্ত জাকির শেখ
Kaliachak TMC Leader Murder: মালদহের কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ৭২ ঘণ্টার মাথায় গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত (Main Accused)। কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মী খুনকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত জাকির শেখ (Zakir Sheikh)। মালদায় রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের (Rajiv Kumar) সফরের মাঝেই মূল অভিযুক্ত জাকির শেখকে গ্রেফতার করল কালিয়াচক থানার পুলিশ।
কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় দ্বিতীয় গ্রেফতারি হল এই নিয়ে। এর আগে আমির হামজা নামে এক জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সে এই মূল অভিযুক্ত জাকিরের ঘনিষ্ঠ বলে জানা যায়। হামজাকে ম্যারাথন জেরার পরেই জাকির শেখের সন্ধান মেলে। সূত্রের খবর, কাশিমনগরের বাড়ি থেকেই পাকড়াও করা হয়েছে মূল অভিযুক্ত জাকির শেখকে।

কালিয়াচকে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বকুল শেখকে প্রকাশ্য দিবালোকে পাথর দিয়ে থেঁতলে গুলি করা হয়। গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল হাসা শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মীর। অঞ্চল সভাপতি-সহ জখম হন আরও এক তৃণমূল কর্মী। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জাকির শেখের সঙ্গে বিবাদের জেরেই গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। কাটমানির বখরা থেকে শুরু করে পদ নিয়ে টানাপোড়েনের অভিযোগও উঠে এসেছিল।
শুটআউটের ঘটনার নেপথ্যে যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে তা মেনে নেন সুজাপুরের বিধায়ক আব্দুল গনি। তাঁর দাবি ছিল, ওখানে একটা গোষ্ঠী চলছে। এর পাশাপাশি ওখানে পঞ্চায়েত সমিতির নেতা মারা গিয়েছেন। বকুল অঞ্চলের নেতা। খুব প্রভাবশালী সে। জাকিরের সাথে ওনার সমস্যা ছিল। পঞ্চায়েত সমিতির একটি আসন দখলের জন্য জাকিরের লোকজন এলাকায় কয়েক দিন ধরে গন্ডগোল করছে বলে দাবি করেন বিধায়ক।
জাকিরের নেতৃত্বে কিছু লোক কয়েকদিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিল। তবে তা তিনি জানতেন না বলে দাবি করেন বিধায়ক। তাঁর কথায়, সুজাপুরে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সাদিউল শেখ কোনও কথা শোনেন না। কোনও যোগাযোগ রাখেন না তিনি। জাকির শেখকে ব্লক সভাপতিই দলে নিয়েছিলেন।
মালদহে তৃণমূল নেতা দুলাল সরকার খুনের ১২ দিনের ব্যবধানে ফের শুটআউটের ঘটনা ঘটে। রীতিমতো রেইকি করে খুন করা হয়েছিল ইংরেজবাজার পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর দুলাল সরকারকে। সেই হত্যাকাণ্ডে এখনও সব অভিযুক্ত ধরা পড়েনি। তার মাঝেই কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বড় সাফল্য পেল পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications