Train Accident: সিগন্যাল মানেননি চালক না ওভার ডিউটির প্রতিফলন এই দুর্ঘটনা, প্রশ্ন তুলছে রেলেরই একাংশ
রেল দুর্ঘটনায় মৃত মালগাড়ি চালকের উপরে দায় চাপিয়েছে রেল বোর্ড। কিন্তু রেলের একাংশ দাবি করছে হতে পারে চালকদের ওভার ডিউটির কারণে এই দুর্ঘটনা। অর্থাৎ ওভার ডিউটির কারণে হয়তো চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন সেকারনে সিগন্যাল দেখতে পাননি।
কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ছে এক বছর আদে এই জুন মাসেই ঘটে যাওয়া বাহানাগায় করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার কথা। ধীর গতিতে চলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে পিছন থেকে একটি মালগাড়ি তীব্র গতিতে এসে ধাক্কা মারে। তাতে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের তিনটি বগি একেবারে দুমরে-মুচরে গিয়ে পড়েছে পাশের লাইনে। পিটিআই সূত্রে খবর ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে আহত হয়েছেন ৬০ জন।

রেল বোর্ডের পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করা হয়েছে সিগন্যাল মানেননি চালক। সেকারণে ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার গতিতে একই ট্র্যাকে ঢুকে পড়েছিলেন চালক। দুর্ঘটনায় মালগাড়ির চালক এবং লোকোপাইলট ২ জনেই মারা গিয়েছেন। মারা গিয়েছেন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের গার্ডও। কাজেই রেলবোর্ড সঠিক বলছে কিনা সেটা জানার অবকাশ নেই। কাজেই নিজেদের দোষ ঢাকতে চালকের উপর দায় চাপানোর থেকে ভাল উপায় আর হয় না।
এদিকে আবার রেলের একাংশ দাবি করছে চালকের সংখ্যা কম। নিয়োগও তেমন ভাবে করছে না রেল তার ফলে তাঁদের দিনে ১৪-১৫ ঘণ্টা ওভার ডিউটি করতে হচ্ছে। চালকরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন না। মালগাড়ির চালকের হয়তো কোনও ভাবে চোখ লেগে এসেছিল। সেকারণে তিনি সিগন্যাল দেখতে পাননি। কবচ থাকলে এই দুর্ঘটনা থাকত না।
কারন কবচ সিস্টেমে চালক যদি ঘুমিয়ে পড়ে তাহলে একটি নির্দিষ্ট পথ চলার পর ট্রেনটি নিজে থেকেই গতি কমিয়ে থেমে যেত। কিন্তু রেলের বোর্ড জানিয়েছে মাত্র ১৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বসানো হয়েছে। বাকি কোনও জায়গাট এটা বসানো হয়। সেই সঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের যে বগিগুলি ছিল সেগুলিও মান্ধাতার আমলের। যেখানে আধুনিকী করণের নামে দিনের পর দিন রেল পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। চরম নাকাল হচ্ছেন যাত্রীরা। কিন্তু সুরক্ষা বা সুব্যবস্থা কোনও কিছুই দিচ্ছে না রেল। উল্টে ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications