Kali Puja 2024: দুর্যোগের আঁচ আসেনি কখনও, বোয়াল মাছের ভোগে পূজিত হন মা সেবকেশ্বরী
Kali Puja 2024:শিলিগুড়ির সেবক৷ সেবক পাহাড়ের কোলে বিশাল মন্দির(Kali Puja 2024)৷ দেশ তো বটেই, বাইরে থেকেও প্রচুর ভক্ত আসেন প্রতি বছর। দীপান্বিতা অমাবস্যায় পুজো প্রতিবার জাঁকজমক করে হয়। কালীর এই মন্দির মা সেবকেশ্বরী মন্দির নামেই পরিচিত৷
দেশ স্বাধীন হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কালীপুজোর সময়ে বোয়াল মাছ ও পোলাও, ভাত, পাঁচ রকমের ভাজা, লুচি, পায়েস ভোগে দেওয়া হয়ে থাকে সেভকশ্বরী কালী মন্দিরে। সেবক পাহাড়ে এই মন্দির জাগ্রত বলেই বিশ্বাস করেন ভক্তরা। মন্দিরে পুজো দিতে নানা জায়গা থেকে ভক্তরা আসেন।

১৯৫২ সালে সেবক পাহাড়ে স্বপ্নাদেশে তৈরি হয়েছিল এই মন্দির। এরপর থেকেই পুজিত হচ্ছেন দক্ষিণা কালী। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই মন্দিরে পুজো দিতে আসেন। এছাড়াও সিকিম, কালিম্পং যাওয়ার পথেও পর্যটকেরা এই মন্দিরে পুজো দিয়ে থাকেন।
নীরেন্দ্রনাথ সান্যাল নামে এক ব্যক্তি স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন। সেটা ১৯৫২ সাল। ওই এলাকায় একটি সরকারি অফিসে কাজ করতেন নীরেন্দ্রনাথ সান্যাল। ১৯৫২ সালে নীরেন্দ্রনাথ সান্যাল স্বপ্নাদেশে পঞ্চ মন্দির আসন পান। পরবর্তীতে সেখানেই দেবীর মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। শুরু করেছিলেন পুজো।
মূলত তিস্তা নদীর তীরে এই পাহাড়টি অবস্থিত। এই পাহাড়ের নাম সেবক। এই পাহাড়ের নাম অনুযায়ী মায়ের নাম রাখা হয় সেবকেশ্বরী। শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে এই মন্দিরে। সেই সময় থেকে ভক্তরা যাওয়া শুরু করে। পরে শিলিগুড়ির কিছু ব্যবসায়ী ও স্থানীয় কয়েক জন মন্দির বড় করেন।
পাহাড়ের চূড়ায় মন্দির রয়েছে। আশপাশে বহুবার ধস নামলেও কোনও সময় মন্দিরের ক্ষতি হয়নি। মন্দিরে একটা পাথরের টুকরোও এসে পড়েনি। আগে এই মন্দিরে বলির প্রচলন ছিল। সম্প্রতি সেই প্রথা বন্ধ হয়ে গিয়েছে৷ কোনও ভক্ত মানত করলে আঁখ, চালকুমড়ো বলি দেওয়া হয়।
মন্দিরের পুরোহিত নন্দকিশোর গোস্বামী বলেন, পুরোনো রীতিনীতি মেনেই পুজো করা হয়ে থাকে। প্রথম থেকেই বোয়াল মাছ দিয়ে ভোগ দেওয়া হয়। দীপান্বিতা অমাবস্যায় রাতভর পুজো হয়। তিস্তা থেকে ঘটে জল এনে মায়ের পুজোয় বসা হয়। এবার রাত ৯ টা থেকে পুজো শুরু হবে। সকাল থেকেই ভক্তরা আসতে শুরু করেছেন মন্দিরে।












Click it and Unblock the Notifications