ঝড় না কী ময়দানবের লড়াই? কবে বাড়িঘর ঠিক হবে, প্রশ্ন দুর্গতদের
চারদিকে বড় বড় গাছ গুড়ি সমেত উপড়ে গিয়েছে। অজস্ত্র শুকনো মোটা ডালপালা কোথা থেকে যে এসে জড়ো হয়েছে। জানা নেই বাসিন্দাদের। চারদিকে তাকালেই যেন বুক কেঁপে ওঠে।
এলাকার হাতে গোনা গাছগুলিতেই যেন ডালপালা, পাতা আছে অল্প সংখ্যায়। বাকি সব গাছই ন্যাড়া। মূল কান্ড দাঁড়িয়ে আছে মাথা তুলে। বাকি সব কিছুই ঝড়ের টানে উধাও। আস্ত বাড়ির দেওয়াল উড়েছে কোথাও। কোথাও আবার না কী গোটা আলমারিই হাওয়া!

কয়েক মিনিটের টর্নেডো জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। এটা কি ঝড়? না কি ময়দানবদের লড়াই? চারদিকে কেবলই মানুষজন অসহায় হয়ে ঘুরছে সোমবার সকাল থেকে।
বাড়িঘর আস্ত আর কিছু নেই। টাকাকড়ি, মজুত সোনাদানা ফেলে প্রাণ নিয়ে সকলে পালিয়েছিল রবিবার। সোমবার সকাল থেকে খোঁজ চলছে জিনিসপত্রের। এলাকার স্কুলে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকালে শুকনো খাবার পাওয়া গিয়েছে। পরে অন্য খাবার হয়তো মিলবে৷
এই ঝড় উত্তরবঙ্গ দেখেনি আগে। শোঁ শোঁ করে আওয়াজ যেন এখনও কানে তালা লাগিয়ে দেয় বিধ্বস্ত মানুষগুলোর। আর বিভীষিকা তো মনের মধ্যে বাসা বেঁধেছে। বিশাল উচুঁ কুণ্ডলী পাঁকানো হাওয়া সামনে এগিয়ে আসছে। চারদিকে যা থাকছে সব হাওয়ার টানে ছুটে যাচ্ছে। ওই এলাকার আকাশ কালো হয়ে এল। ধুলোয় ঢেকে গেল চারপাশ।
আবার ঝড় আসবে না তো? এবার বৃষ্টি আর ঝড় হলে কোথায় মাথা গুজবেন তারা? সেইসবই ভাবনা চিন্তা চলছে। প্রশাসনের তরফ থেকে ত্রিপল দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য ত্রাণও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ফের বৃষ্টি হলে যাবেন কোথায়? বাড়িঘরই বা কবে তৈরি হবে? সেই সব প্রশ্ন এখন ভাবাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications