শিলিগুড়িতে মহকুমা পরিষদের ভোটে ফের উত্তেজনা, ফাঁসিদেওয়ায় নির্দল প্রার্থীকে হেনস্থার অভিযোগ
শিলিগুড়িতে মহকুমা পরিষদের ভোটে ফের উত্তেজনা, ফাঁসিদেওয়ায় নির্দল প্রার্থীকে হেনস্থার অভিযোগ
ফাঁসিদেওয়ায় ফের উত্তেজনা। ফাঁসিদেওয়ার ২৭ নম্বর বুথে আক্রান্ত নির্দলা প্রার্থী তানিশ লা খালকো। নির্দল প্রার্থীর ফোন আছড়ে ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসক দল। সকাল থেকেই তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ফাঁসি দেওয়ায়। দফায় দফায় টিএমসির সঙ্গে শাসক দলের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ফাঁসিদেওয়ার একাধিক বুথে।

সকাল থেকেই উত্তপ্ত শিলিগুড়ি। দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠেছিল ফাঁসি দেওয়া। সকাল থেকেই ফাঁসিদেওয়ার একাধিক কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে শাসক দলের কর্মী সমর্থকদের। ৬ নম্বর বুথে সকালে দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক নির্দল সমর্থকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে টিএমসির বিরুদ্ধে। সংঘর্ষের জেরে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল ভোটগ্রহন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ফের ভোট গ্রহন শুরু হয়।
বেলা বাড়তেই ফাঁিসদেওয়ায় ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ২৭ নম্বর বুথে নির্দল প্রার্থী তানিশ লা খালকোকে হেনস্থা করা হয় বলে খবর। তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে। এমনকী নির্দল প্রার্থীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ ঘটনার পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সূত্রের খবর মারধোরের জেরে মাথা ফেটে গিয়েছে নির্দল প্রার্থীর। টিএমসির টিকিট না পেয়ে নির্দল হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। সেকারণেই শাসক দলের রাগ তাঁর উপরে ছিল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য পুরভোটেও একই ভাবে শাসক দলের টিকিট না পেয়ে অনেকেই নির্দল প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছিল দল। এমনকী দল থেকে তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে। দলনেত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন যাঁরা টিকিট না পেয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াচ্ছেন তাঁদের আর দলে নেওয়া হবে না। কিন্তু ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর একাধিক জায়গায় জয়ী নির্দল প্রার্থীরা পরে টিএমসিতে যোগ দিয়ে পুরবোর্ড গঠনে সহযোগিতা করেছে।
এদিকে রাজ্যের আরও ৬ পুরভোটেও অশান্তির খবর মিলেছে। ভাটপাড়ায় দেদার চাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের সামনেই দেদার ছাপ্পাভোট দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। অন্যদিকে দক্ষিণ দমদমেও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে দেদার ছাপ্পাভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে আবার পাণিহাটি েথকেও অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। হুগলির চন্দননগরেও মোবাইল নিয়ে ভোটারদের বুথে ঢুকতে বাধা দওয়ায় অশান্তি ছড়িয়েছিল। তাতে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল ভোট গ্রহন।












Click it and Unblock the Notifications