শিলিগুড়িতে প্রবল গরম, মাটির কলসি কেনার হিরিক পড়েছে
দক্ষিণবঙ্গ ছাড়িয়ে গরমের দাপট থাবা বসিয়েছে উত্তরেও। গলদঘর্ম অবস্থা চারদিকে। শিলিগুড়ি শহরেও এখন গরমের অস্বস্তি। ঠান্ডা জলে গলা ভেজানো ছাড়া আর কোনও গতি নেই৷
ফ্রিজ নয়, মাটির কলসির যুগে ফিরে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। শৈলশহরের বিভিন্ন জায়গায় এখন জল রাখার মাটির কলসির বিক্রি অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। এখন কলসির দামও নেহাত কম নয়। ৮০ টাকা থেকে শুরু হচ্ছে। ১৫০ - ২০০ টাকা পর্যন্ত দামের জিনিস আছে।

কিন্তু ফ্রিজ তো আছে সাধারণ মানুষের বাড়ি। ফ্রিজের ঠান্ডা জলই তো খাওয়া যায়। তাহলে কেন এই মাটির কলসি কেনার হিড়িক পড়ে গেল? অধিক ঠান্ডা জল পান করে সমস্যা দেখা দিচ্ছে সাধারণ মানুষের।
কাজের সূত্রে গরমকে মাথায় নিয়েই বের হতে হচ্ছে প্রত্যেককে। তীব্র দাবদাহের মধ্যে কাজ করতে করতে বাড়ে বাড়ে শুকিয়ে যাচ্ছে গলা। আর পিপাসা মেটাতে হাতের সামনে খুঁজতে হচ্ছে ঠান্ডা পানীয় অথবা ঠান্ডা জল। অনেক সময় সেই পিপাসা মেটাতে হচ্ছে ফ্রিজের ঠান্ডা জল খেয়ে। তবে তাতেই শরীরে বাঁধছে নানা রোগ। তাই ভয় রয়েছে সাধারণ মানুষের।
অতীতের হাত ধরেই ফের শুরু হয়েছে পথ চলা। এখন ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে মাটির কলসি। এখন আর আগের মতো কলসির ভেতরে গ্লাস ডুবিয়ে জল খেতে হবে না। ছোট থেকে বড়, এখন সব আকারের কলসিতেই রয়েছে প্লাস্টিকের কল লাগানো। এতে খুব সহজেই কল খুলে জল পান করা যাবে। তাই শহর শিলিগুড়িতে প্রায় প্রত্যেকটি বাজারেই কম বেশি এমন মাটির কলসির পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা।
চিকিৎসকরা ফ্রিজের ঠান্ডা জল খেতে বারণ করেন। তাদের মতে মাটির কলসির জল পান করলে বেশি ভালো। যেহেতু এই তীব্র গরমে ঠান্ডা জল না পান করলে হবেই না ঠিক এই দুইয়ের মিলনে বিক্রি বেড়েছে মাটির কলসির। বিক্রেতারা জানাচ্ছেন গরম যত পড়ছে চাহিদা বাড়ছে মাটির কলসির।
দেড়শো টাকা পর্যন্ত দাম রয়েছে। বিভিন্ন মাপের কলসির বিভিন্ন দাম। তারই মধ্যে দরদাম করে কেনাকাটা হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, গতবারের থেকে দাম একটু বেশি হলেও চাহিদা বেশ ভালোই রয়েছে। অপরদিকে জানা যায়। কলসি শিলিগুড়ির মাটিগাড়ার পালপাড়ায় তৈরি হয়। সব মিলিয়ে বেশ ভালোই লাভের মুখ দেখছেন মাটির কলসি বিক্রেতারা।












Click it and Unblock the Notifications